PROMOTIONAL

বাংলার বুকে শিল্পী-প্রতিভা সন্ধানে নিঃশব্দ বিপ্লবের পুরোহিত এক জার্মান ভদ্রলোক! জানেন কি?

 

বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে সেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের যুগ থেকেই পাশ্চাত্যের সম্পর্ক। আজকের একবিংশ শতাব্দীও তার ব্যতিক্রম নয়। কলকাতার বুকে শিল্পের উঠোনে নতুন প্রতিভা তুলে আনার কাজেও অবশেষে এলো বিদেশী-যোগ। গত পাঁচ বছর ধরে নিঃশব্দেই কাজ করে চলেছেন এক জার্মান-ভারতীয় ভদ্রলোক রফ গ্যাঙ্গজী এবং প্রতিষ্ঠিত দল ‘কলকাতা কম্পোজারস-আমরা বাঙালি’। রফের বাবা ভারতীয়, মা জার্মান। তার পড়াশোনা আমেরিকায়। পড়াশোনা শেষ করে ভারতে ফিরে এসে কয়েকটি বড় মিডিয়া হাউসে কাজ করে শেষ অবধি তিনি ‘কমেডিয়ানস’ বলে একটি দল গড়লেন। এটি আজ অনেকগুলি শহরে ছড়িয়ে আছে।

 

কমেডি দিয়ে শুরু হলেও সেখানেই থেমে থাকেন নি তিনি। ধীরে ধীরে বিনোদনের অন্য দিকগুলি থেকেও উঠতি প্রতিভাদের তুলে আনতে উদ্যমী হন। সেই লক্ষ্যে তিনি আরও অনেকগুলি দল বানান। তাদের মধ্যে অন্যতম ‘কালকুত্তা কম্পোজারস-আমরা বাঙলী’। তার সঙ্গে তার দলবল গত পাঁচ বছর ধরে ঘুরে বেড়িয়েছে কলকাতার বিভিন্ন ক্লাব, পাব, হোটেল। সেখানে ওপেন মাইক করা হয় অর্থাৎ নতুন কেউ নিজের প্রতিভা সেখানে তুলে ধরতে পারে। সবাইকে এক ছাদের তলায় এনে নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়ার এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই মানুষের প্রশংসা পেতে শুরু করেছে।

এই ‘কালকুত্তা কম্পোজারস-আমরা বাঙালি’ আগামী ১০ নভেম্বর একটি শোয়ের আয়োজন করেছে বালিগঞ্জের ‘ডুডল রুম’ স্টুডিওতে। আগামী ১০ নভেম্বরের শো-তে চাইলে আপনিও নিজের প্রতিভা তুলে ধরতে পারেন তার জন্য দলের সদস্য হওয়ার দরকার নেই। দর্শকের প্রবেশ মূল্য যৎসামান্যই। টিকিটের প্রয়োজনে বা অংশ নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন। বুধাদিত্য ঘোষ – 7430963029/মিতা সেন – 9748683980

স্বরচিত গল্প, কবিতা, শ্রুতি নাটক সবরকম বিভাগই রাখা হয়েছে। গ্রুপেরই অন্যতম সদস্যা পেশায় শিক্ষিকা মিতা সেন। একান্ত আলাপচারিতায় তিনি জানালেন, “বাঙালি হয়ে কলকাতায় থেকে ভাষার জন্য কিছু একটা করার তাগিদ অনুভব করি সব সময়। আমরা চাই যাদের প্রতিভা আছে অথচ সুযোগ পান না তাদের সুযোগ করে দিতে।” মিতাদির কথায়, “আমরা চাই সব নতুনরাই আমাদের সাথে যুক্ত হোক। তাদের প্রতিভা শো-কেস করার ব্যবস্থা আমরা করব। তারা তাদের কলমে মনোযোগ দিক। তাদের যেন ভাবতে না হয় আমার লেখা কেই বা পড়বে।” ব্যবসায়িক সাফল্যের কথা জিজ্ঞেস করলে মিতা দি বলেন, তারা এখনই লাভের কথা ভাবছেন না। তাই সামান্য প্রবেশ মূল্য রাখা হয় যাতে কেবল আয়োজন খরচটাই উঠতে পারে। ভবিষ্যতে তারা স্পনসর নেওয়ার কথাও ভাবছেন। সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের কল্যাণে নিঃশব্দে কাজ করে যাওয়া দলটিকে এক্সক্লুসিভ অধিরথের তরফে অসংখ্য অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

 

Promotion