EXCLUSIVE NEWS

অ্যাক্রোপলিসে সঙ্গীতশিল্পী সৌম্যদীপকে মারের অভিযোগ, হাস্যকর ইমেলে কর্তৃপক্ষ চাইল ক্ষমা

 

বাংলা গানের জগতে এই মুহূর্তে এক প্রতিভাময় সঙ্গীতশিল্পী সৌম্যদীপ শিকদার। গত রবিবার দক্ষিণ কলকাতার অ্যাক্রোপলিস মলে গিয়েছিলেন সিনেমা দেখতে। সন্ধ্যায় ফেরার সময় বাড়িতে যোগাযোগ করতে গিয়ে খেয়াল করলেন ফোনের ব্যাটারীর চার্জ শেষ। ফোনটিতে সামান্য চার্জের জন্য তিনি মলের ভেতরেই এক খাবার বিক্রির স্টলে অনুরোধ করেন ফোনটিতে সামান্য চার্জের জন্য। খাবার বিক্রির স্টলে কর্মী তাঁকে বলেন, “তু চল বে ইয়াহা সে।” এই তুই-তোকারির প্রতিবাদ করেন গায়ক। তার অভিযোগ সেই সময় ফ্লোর ম্যানেজার সহ মলের নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁকে ঠেলা-ধাক্কা মেরে ফায়ার-এক্সিটের সিঁড়ির দিকে নিয়ে যায়। তারপর তাঁকে অন্ততঃ ১৫ জন মিলে তাড়া করে। সৌম্যদীপ সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসেন। কিন্তু এখানেই বিষয়টি শেষ নয়। তার আরও অভিযোগ মলের রক্ষীরা মলের সামনে থেকেই তাঁকে চ্যাং-দোলা করে একটি ডাম্পিং রুমে নিয়ে আসে। সেখানে একপ্রস্থ মারধোর চলে তার ওপর।

 

‘এক্সক্লুসিভ অধিরথ’কে ফোনালাপে সৌম্যদীপ জানান, তাঁকে গানবাজনা করেই পেটের ভাত জোগাড় করতে হয়। ফলতঃ নানা জায়গায় গানের জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হয়, এসবের মাঝে তার পক্ষে আইনী জটিলতার কারণে বারবার যাওয়া সম্ভব নয়। তাই তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন নি। এমনকি তিনি মলের সিসিটিভি পরীক্ষা করে দেখার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই অ্যাক্রোপলিস মল কর্তৃপক্ষ একটি ই-মেল মারফৎ ক্ষমা চাইলেও নেটিজেনরা সেই মেইলের বয়ান দেখে হাসাহাসি করছেন। কোনও রকমে দায়সারা ভাবে সেই ই-মেইল করা হয়েছে বলেই মনে করছেন সৌম্যদীপ। তবে খানিক ব্যতিক্রমী হয়েই সঙ্গীত শিল্পী প্রশ্ন তোলেন মহানগরীর সংস্কৃতি নিয়ে। “আমাকে যখন জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তখন কেউ প্রতিবাদ করল না। আজ আমি গান গাই বলে অনেকেই চেনেন। তাই ঘটনা সামনে আসার পর অনেকেই পাশে দাঁড়িয়েছেন। কাল যদি এটিই কোনও সাধারণ মানুষের সঙ্গে হয় তখন?” তিনি আরও জানান, তার একটি দাঁত ভেঙে গিয়েছে। এছাড়াও তিনি হাতে এবং পিঠেও আঘাত পেয়েছেন। পাশাপাশি এই ইস্যুতে অ্যাক্রোপলিসে অবস্থান চালিয়ে তার পাশে থাকার জন্য ‘ঐক্য বাংলা’কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সৌম্যদীপ।

Promotion