EXCLUSIVE NEWS

বইমেলায় ছোটা ভীমদের রমরমা বাজারে জোর টক্কর দিচ্ছে বাংলা সেন্টুর কার্টুন

কার্টুন দেখতে একটুও পছন্দ করেনা এমন শিশু খুঁজে পাওয়াই ভার। টেলিভিশনের পর্দায় রং-বেরঙের কার্টুন একটি শিশুর কাছে ‘চলমান বিস্ময়’। এক্ষেত্রে ‘অ-বাঙালি’ কার্টুনেরই আধিপত্য খানিক বেশি যদিও। তবে, ৪৩ তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় ছোটা ভীমদের সঙ্গে সমানে-সমানে টক্কর দিচ্ছে বাংলার সেন্টুর কার্টুন। টেলিভিশনের পর্দায় ইতিমধ্যেই বাংলা রাজনীতিকে কার্টুনের মোড়কে জনপ্রিয় করার পিছনে সেন্টুর কার্টুনের ভূমিকা অনবদ্য। একদিকে যেমন বইমেলা দাপাচ্ছে ছোটা ভীম, ডোরেমন, ডেনিস দ্য মেনিস তো অন্যদিকে জোর লড়াই দিচ্ছে রয়েছে মুকুট সিং, বিশু ডাকাতরা।

শুধুই কমিকস বুক নয়, ল্যাম্পশেড, টি-শার্ট, ফটো-ফ্রেমেও ছড়িয়ে গেল সেন্টুর তৈরি কার্টুন চরিত্ররা। কোনোটায় ভূত, মা দুর্গা সপরিবারে, আবার কোনোটায় নির্ভেজাল হাস্যরস- ছোট থেকে বড় সবার হাতেই পৌঁছে গেল নিমেষে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল যত বাড়লো, উপচে পড়া ভিড়ের বেশ কিছু অংশ পাড়ি জমালো অভিনব উপকরণ সামগ্রীতে সাজানো ‘সেন্টুর কার্টুন’এর স্টলে।বইমুখী জনতা বইয়ের বাইরেও কার্টুন-কমিকসে আকৃষ্ট হলেন।বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে, এই ‘অ-বাংলা’র যুগে ‘বাংলা’র জয় নিঃসন্দেহে নিশ্চিত করে দিলো সেন্টুর কার্টুন। ‘এক্সক্লুসিভ অধিরথ’ তাই হাজির হয়েছিল সেন্টুর কার্টুনের স্টলে।

সকলের পরিচিত সেন্টু দা তথা অজিতেশ কর আমাদের জানালেন, যেভাবে জনস্রোত তাদের স্টলে উপচে পড়ছে, তাতে প্রমাণিত হয় যে, বাংলা কার্টুন দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। আগে থেকেই বাঁটুল বা নন্টে-ফন্টেরা এই জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছিল। মাঝে খানিক ভাঁটা পড়লেও ফের বাংলা কার্টুনের সুদিন ফিরছে। প্রবলভাবে অস্তিত্বের জানান দিয়ে গেল এটুকু নিঃসন্দেহে বলা যায়। ভেবেছিলাম ডিজিট্যাল মিডিয়া এবং ই-বুকের রমরমা বাজারে ছাপা কমিকস বই বিক্রি হয়তো কমে যেতে পারে। কিন্তু গত শনি এবং রবিবার পাঁচ হাজারেরও বেশি বই বিক্রি করে ফেলেছি।

তিনি আরও জানালেন, টি-শার্ট সারা পৃথিবী কার্টুনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যাবহার করে। সেখানে অভিনবত্ব হতে পারে টেবিল-ল্যাম্প, যেটা আমরা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছি। ব্যাগের ক্ষেত্রেও ভাবনা রয়েছে যেখানে রাজনৈতিক থেকে মজার কার্টুন সবরকম উপস্থাপনাই পৌঁছে দিতে পারবো। প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভাবনা বদলাচ্ছে তার অভিমুখ। আমি জানিনা, দেওয়াল কাল আজকের ভাবনা রাখবে কী না?

Promotion