EXCLUSIVE NEWS

মানকুন্ডুতে যুবতীকে ধর্ষণ, তারপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেডিকেল টেস্ট পিছনোরও অভিযোগ!

 

তরুণীকে প্রথমে করা হল ধর্ষণ। তারপর চক্রান্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মেডিকেল পরীক্ষা না করে ধর্ষণের প্রমাণ লোপাটের আপ্রাণ চেষ্টা। এমনটাই অভিযোগ উঠছে মানকুন্ডুর অলোক হোড়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার সূত্রপাত ১ মার্চ রাতে। ধর্ষিতা যুবতী জানান, অলোক হোড়ের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু অলোকের একাধিক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর বিষয়ে জানতে পেরে তিনি প্রায় এক বছর আগে সম্পর্ক ভেঙে দেন। ১ মার্চ ওই তরুণী বাড়িতে একাই ছিলেন। রাত দেড়টা নাগাদ ছেলেটি মদ্যপ অবস্থায় তাঁর বাড়ির সামনে এসে ডাকাডাকি করতে থাকে এবং ফোন করে বাড়ির বাইরে আসতে বলা হয়। প্রথমে তিনি বাড়ির বাইরে যেতে অস্বীকার করলেও, পরিস্থিতির চাপে তিনি বাড়ির দরজা খোলেন। এই সুযোগে দরজা দিয়ে ঢুকে বাড়ির উঠোনে তাঁকে ধর্ষণ করে অলোক। এমনটাই অভিযোগ এনেছেন ওই যুবতী।

 

বাড়িতে বেশ কিছু কুকুর-বিড়ালকে আশ্রয় দিয়েছেন এই যুবতী। কিন্তু ভেতরের দরজা বন্ধ থাকায় সেই পোষ্যরাও তাদের মনিবের চরম বিপদে পাশে থাকতে পারল না। ওই যুবতী আরও জানান, ঘটনার পরের দিন অভিযুক্ত যুবকের বাবা তাঁকে ঘরের বৌ করে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দেন। অভিযোগ তারপরেই অলোক এবং তাঁর বাবার ফোন সুইচ অফ হয়ে যায়। ৩ মার্চ সকালে নিগৃহিতা অলোককে ফোন করলে সে বলে, “তোর সারা শরীরে দাগ করে দিয়েছি, এবার কী করে বিয়ে করবি কর।” এরপরেই যুবতী চন্দননগর থানায় এফআইআর দায়ের করেন। চন্দননগর থানার আইসি শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও শেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি। অভিযুক্ত অলোক হোড়কে ফোন করা হলে তিনি জানান, তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে।

Promotion