Notice: Undefined index: status in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/plugins/easy-facebook-likebox/easy-facebook-likebox.php on line 69

Warning: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/themes/herald/functions.php on line 73
Business Promotional Interview - Das Decoration Exclusive
PROMOTIONAL

Business Promotional Interview – Das Decoration

ঠিক কী কী ধরনের সাজানোর কাজ আপনারা করে থাকেন?

বিয়েবাড়ি-অন্নপ্রাশন থেকে শুরু করে মঞ্চ সাজানো বা নাটকের সেট-আপ তৈরির কাজ সবরকমই আমরা করে থাকি। সেই সঙ্গে নাচের যে ডান্সিং প্রপস সেগুলিও আমরা যোগান দিয়ে থাকি। পুজোয় প্যান্ডেলে থিমের কাজ আমরা করি। যেমন ঘরে চালা বা মাটির দেওয়াল তৈরি করতে হবে অথবা চাহিদা অনুযায়ী সেখানে আলপনা দিতে হবে। আমরা সেই দায়িত্ব নিয়ে থাকি। ইভেন্ট বা অনুষ্ঠানের পরিবেশকে সাজিয়ে তুলতে আপনার আমাকে প্রয়োজন পড়তে পারে। সে বাণিজ্যিক ইভেন্ট হোক বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই হোক।

সাজানোর জন্য কী কী উপকরণ আপনারা ব্যবহার করেন?

আমরা সবরকম উপকরণই ব্যবহার করি। যেমন ফুলের কাজে ফুলের ডেকরেশন। একইভাবে আমরা বেলুন, থার্মোকল বা ভিনাইল বোর্ডের কাজ করি ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুসারে। এখন আনুষাঙ্গিক বহু নতুন জিনিস বেরিয়েছে। যেমন সান বোর্ড, ফোম, পাট, খবরের কাগজ, খড়, প্যাকাটি দিয়েও সাজানোর কাজ করানোর ট্রেন্ড এসেছে।

ধরা যাক একটি বাণিজ্যিক অনুষ্ঠান হবে। সেখানে মঞ্চ সাজানো থাকবে শুধুমাত্র ফ্লেক্স দিয়ে, সেটিও যত্ন সহকারে আমরা করি। দেখা গেল একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে রাজস্থানী প্যাটার্নের কাজ করতে হবে কিংবা বাংলার গ্রামের পরিবেশ ফুটিয়ে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে যে জিনিসগুলি আমাদের সাজাতে দরকার আমরা তাই-ই ব্যবহার করবো। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে হয়তো ক্লায়েন্ট কার্টুন চরিত্র বানাতে বললেন। সেক্ষেত্রে আমরা দেওয়াল কার্টুন চরিত্র দিয়েই সাজালাম। কাজেই নির্দিষ্ট কোনও ধরাবাঁধা  উপকরণ নেই, দরকার মতো আমরা জিনিস ব্যবহার করে থাকি।

আপনাদের কাজের অভিনবত্ব কোথায়? কেন মানুষ আপনাদের দিয়ে সাজানোর কাজ করাবেন?

দেখুন, মার্কেটে তো অনেকেই অনেক রকম কাজ করে থাকেন। কিন্তু প্রত্যেক শিল্পীরই একটি নিজস্ব সত্ত্বা থাকে। দাস ডেকোরেশনের কাজে যে সত্ত্বার পরিচয় ফুটে উঠছে, হুবহু একই জিনিস নিশ্চয়ই অন্যের কাজে চট করে ফুটে উঠবে না।

দ্বিতীয়ত হল অবশ্যই আমার ব্যবহার। যিনি আমাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন, তিনি আসলে ঠিক কী চাইছেন আমার থেকে সেটি আমি বুঝছি কিনা তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমি যদি তার মন পড়ে ফেলতে পারি এবং তার প্রত্যাশা কাজের মাধ্যমে পূরণ করতে পারি তাহলে তিনি পরের বারও সাজানোর কাজে আমাকেই ডাকবেন। আর সত্যি কথা বলতে আমাদের কাজটি খানিক এরকমই যে, আপনার যোগাযোগ থেকেই আমি হয়তো আরও পাঁচটি কাজ পাবো। তাই মানুষের পছন্দের কাজ করতে না পারলে কখনোই তিনি আমাকে রেফার করবেন না। তাই কাজের গুনমাণ ও আভিজাত্যের দিকে সবার আগে আমাদের নজর থাকে। তবে একটি কথ্যা বলতে চাই, তুলনামূতক কম বাজেটে যে ভালো কাজ হয়না, এটি ভুল ধারণা। যে ক্লায়েন্ট আমাকে দিয়ে কম বাজেটের কাজ করাচ্ছেন, আমিও যথাসাধ্য তাদের মনের মতো কাজ করারচেষ্টা করি সেই বাজেটেই।

 

ডেকরেটিংয়ের জগতে পেশাদারী সাফল্যের চাবি কাঠি কী?

আমার যেটি মনে হয় ব্যবহার। মানুষের মনের কাছে পৌঁছতে হবে। তার মানসিকতা কী অথবা সে কী চাইছে বুঝতে হবে। আর অবশ্যই কাজের নতুনত্ব। সাজানোর যতো ভ্যারাইটি আপনার আপনার কাছে থাকবে, ততোই সাফল্যের দিকে কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবেন আপনি। একই জিনিস আমি তিনরকম ভাবে কী করে পরিবেশন করবো সেটি আমাকে জানতে হবে। সময়ের মধ্যে কাজ সেশ করাও যে কোনও সফল ডেকোরেটার্সের সুনামের জন্য পুষ্টিকর তা বোধহয় বলার অপেক্ষা রাখে না।

এই মুহূর্তে বাংলার ডেকোরেটার্স বা সজ্জাশিল্পীদের কেরিয়ার-গ্রাফ ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে?

আমাদের পেশার ক্ষেত্রেও রয়েছে চড়াই-উতরাই। যিনি নাম করে গিয়েছেন, সোজা ভাষায় যিনি আজ প্রতিষ্ঠিত তিনি ভালো কাজ করেন। যে নতুন সাজানোর কাজ শুরু করেছেন, তিনি আসলে খারাপ কাজ করেন। এই ন্যারেটিভ ডেকোরেটার্সদের ক্ষেত্রেও চলে। আমি যদিও এই ট্রেন্ডে বিশ্বাস করি না।

ধরা যাক, আমরা দাস ডেকোরেটার্স, আমাদের কাজের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার মানেই আমরা যে ভালো কাজ করবো এটি নয়। আমরাও খারাপ করতে পারি, কারণ আমরাও মানুষ। একজন থিমার যখন প্যান্ডেলে কাজ করে, তখন তিনি কিন্তু চিন্তা করেন না এই কাজে তার কতোগুলো পুরস্কার আসবে। তিনি কিন্তু শিল্পবোধটাকেই প্রাধান্য দেন।

 

 

এই মুহূর্তে আমাদের জন্য সব থেকে বড়ো সমস্যা তৈরি করছে অনুষ্ঠান ভবনগুলি। এখন প্রত্যেকটি অনুষ্ঠান ভবনে এরকম ব্যাপার চলে এসেছে যে আমার প্রিয় ব্যাক্তি ছাড়া অন্য কাউকে কাজ করতে দেওয়া হবে না। মানে একজন যদি খারাপ কাজও করেন, তিনিও দিনের পর দিন সেখানে কাজ করে যাবেন। তাহলে নতুন প্রজন্মের যারা সাজানোর কাজ করছেন, তারা কোথায় যাবেন? তাদেরও তো পেট আছে, তাদেরকেও তো কাজ করেই খেতে হবে। এসব কারণেই আমরা শোচনীয় পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি।

দাস ডেকোরেশনের স্বপ্ন কী?

সকলেরই উঁচু জায়গায় পৌঁছনোর স্বপ্ন থাকে। আমাদেরও রয়েছে। দাস ডেকোরেশন সংস্থাটি হয়তো আমার হতে পারে। কিন্তু আমি নিজেকে এটির এক শ্রমিক মনে করি যে বাকিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে। এই কারণেই আমি ‘আমাদের’ শব্দটি ব্যবহার করছি। আমরা যেন আগামী দিনে আরও বড়ো কাজ করার মঞ্চ পাই। লোকে যেন আমাদের চেনেন, এটাই তো স্বপ্ন। শুধু প্রফেশনাল সম্পর্কই নয়, মানুষ তাদের পরিবারের সদস্য ভাবুক আমাদের।

 

দাস ডেকোরেশনের যোগাযোগ প্রতিনিধি সুকান্ত দাসের যোগাযোগ নম্বর-৯৮৩১৫৪৬৬০৩ (9831546603)

 

 

 

 

 

 

Promotion