প্রত্যাশার পারদ

পৌষালী ব্যানার্জী – অ্যাপস আর প্রযুক্তির ভিড়ে লোকসঙ্গীতকে হারাতে দেবো না

চিত্র ঋণ – সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী

লোকসঙ্গীতের প্রতি এই মানুষটির টান আসলে নিখাদ। অন্যদিকে সঙ্গীতপ্রেমী মানুষের পৌষালী ব্যানার্জীর প্রতি আকর্ষণ যথেষ্টই। তাই কৌতূহল বশতঃ আমরাও আমাদের প্রশ্নের জবাব পেতে সটান হাজির হলাম গায়িকার বাড়িতে।

একজন সফল গায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে প্রতিভাটুকুই কি যথেষ্ট?

প্রতিভা তো সহজাত, তা জন্মাবার পরেই আসে। ভগবান কিছু একটা দিয়ে পাঠান। তারপর সেটিকে ঘষামাজার মাধ্যমে সঠিক পথে চালনা করে সফল গায়িকা হওয়া যায়। আরেকটি জিনিস, আমি এই পথে এসে দেখলাম, বেশ কিছুটা হলেও ভাগ্যের ব্যাপার থাকে। আমার মনে হয় কেউ যদি প্রতিভাবান হয়, ঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।

গানের সঙ্গে রিলেশনশিপ কীভাবে শুরু হল? আপনার গুরুই বা কারা ছিলেন?

আমার গানের সঙ্গে রিলেশনশিপ একদম ছোটবেলা থেকেই যখন হয়তো আমার বোধ-বুদ্ধিও ছিল না। তখন থেকেই আমি নিজের মতো করে কিছু না কিছু করছি, এটা আমি বড়দের থেকে শুনেছি পরবর্তীকালে।

আমার প্রথম গুরু ছিলেন মা। আমি সবাইকে বলি আমার মা সঙ্গীতের শব্দকোষ(এনসাইক্লোপিডিয়া)। বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্ষেত্রে। আমি আজ পর্যন্ত কোনও দিন গীতবিতান খুলে মা-কে গান গাইতে শুনিনি। বাড়িতে সঙ্গীতের মহল সবসময়ই ছিল। যথারীতি সেটা শুনে শুনেই আমার বড় হওয়া। কাজেই গানটা আমার বাড়ি থেকেই…

২০১৬-১৭ মরসুমে এক জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো’র পর্দায় মানুষ আপনাকে দেখেছিলেন। কেমন ছিল সেই অনুভূতি?

ভীষণ সুন্দর অনুভূতি। সেটি জীবনের প্রথম রিয়্যালিটি শো ছিল, এর আগে কোনও রিয়্যালিটি শো’তে অংশ নিই নি। রিয়্যালিটি শো শুধু টিভিতেই দেখে এসেছি। অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলাম, অনেকগুলো অডিশন দিয়ে পাশ করেছি। অসম্ভব সুন্দর অনুভূতির মধ্যেও একটি অন্ধকার মুহূর্তও রয়েছে। সেই রিয়্যালিটি শো চলাকালীনই আমি একজনকে হারিয়েছি। তিনি হলেন কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য্য। আগের দিনই রিহার্সাল করলাম ওনার কাছে। তার পরের দিনই উনি মারা গেলেন। এই অভিজ্ঞতাটি বাদ দিলে বলবো বুদ্ধি, প্রতিভা এবং মনের জোরে আমি সেখানে এগিয়েছি।

এখনও পর্যন্ত কী কী উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন?

আপাততঃ কিছু সিরিয়ালে গেয়েছি। দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় শো করার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

আগামী কোন কোন কাজ মুক্তির অপেক্ষায় প্রহর গুনছে?

একটি সিনেমায় আমার গানের কাজ চলছে। বাংলাদেশের এক ডিরেক্টর আমাকে সেখানে গান গাওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। একটি বড় ব্যানারের মিউজিক ভিডিওতে কিছু গান গাইবো। এই কাজগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু নিয়মনীতি মেনে চলতে হচ্ছে। তাই আগামী কাজগুলির ব্যাপারে এর বেশি বলা সম্ভব নয়।

স্বপ্ননগরী মুম্বই যাওয়ার ইচ্ছে কি রয়েছে?

এই মুহূর্তে তো একদমই না। গানের যে ধারাটি নিয়ে কাজ করছি তা হল বাংলা লোকসঙ্গীত। আমার ইচ্ছে আগে বাংলায় নিজেকে সমৃদ্ধ করা। তারপর স্বপ্ননগরী যাওয়া যেতেই পারে।

রিয়্যালিটি শো কি শিল্পী তৈরি করে নাকি তারকা তৈরি করে?

শিল্পী কথাটির মানে আমি যেটি জানি, ইন বর্ন ট্যালেন্ট বা সহজাত প্রতিভা। তুমি ছবি আঁকতে পারো- তুমি শিল্পী,  তুমি কবিতা লিখতে পারো – তুমি শিল্পী। শিল্পী তকমাটা লাগে রিয়্যালিটি শোয়ের পর থেকে। যারা প্রকৃত শিল্পী তাদের কিন্তু কোথাও গিয়ে মন খারাপ হয়। এতোদিন ধরে এতো চেষ্টা করেও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারলাম না, এদিকে যেই রিয়্যালিটি শো-তে আমাকে দেখা গেল, ওমনি হৈচৈ পড়ে গেল।  যে কোনও বিষয় জেনে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করে কাজ করাটা একজন শিল্পীর শিল্পত্বের পরিচয়। কিন্তু শিল্পী তকমাটা তখনই গায়ে সাঁটে যখন সে কোনও বড় ব্যানারে কাজ করলো, অথবা রিয়্যালিটি শোয়ের মতো বড় মঞ্চ পেল তখন। তাই রিয়্যালিটি শো তারকা তৈরি করে, শিল্পী নয়।

আপনি সারাদিনে কতক্ষণ রেওয়াজ করেন?

আমি সারাক্ষণই গান গাইছি। কিছু না কিছু চলতেই থাকছে। নিয়মিত রেওয়াজ করেই তো আজ এই জায়গায় আসতে পেরেছি। তবে এখন সেভাবে সময় পাইনা। কারণ সবসময় গানের মধ্যেই থাকি। ওইভাবেই চর্চাটা গলার সাথে আছে, নিজের সাথেও রয়েছে।

লোকসঙ্গীত গাইতে গেলে কি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শেখার দরকার রয়েছে?

শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এমন একটা সঙ্গীত যে সেটি একটা ভিত। শুধু লোকসঙ্গীতকে ট্যাগ করলে চলবে না। রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুল গীতি, অতুলপ্রসাদী এমনকি হিন্দি পর্যন্ত, যে কোনও গান গাইতে গেলে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত অবশ্যই প্রযোজ্য। বর্তমান সময়ে একটি খুব বাজে কথা চলে। “যার নেই কোনও গতি, সে গায় লোকগীতি”। আমি বলবো ওটাও একটা গান। আমার গাইতে ইচ্ছে হল, আমি গেয়ে দিলাম, সেটি আসলে মন থেকে গাওয়া। তার জন্য কোনও তালিমের দরকার নেই। কিন্তু তুমি যখন মঞ্চে পাঁচটি লোককে গান শোনাবে, তখন তাদের প্রশ্নেরও মোকাবিলা করতে হতেই পারে। তখন তোমার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জানাটা দরকার।

ধরো তুমি কোনও বড় প্ল্যাটফর্মে লোকসঙ্গীত গাইছো। তুমি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতটাই জানোনা আসলে। তোমাকে যদি কেউ বলে ওই নোটটাই লাগলো না। তুমি বলতে পারবে ওই নোটটা কী নোট? হাঁ করে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। অন্যরা তখন বলবেন, দাদা আপনি অনেক গেয়েছেন এবার নেমে আসুন। কাজেই যেটাই করি না কেন আমাকে জেনে করতে হবে। তবে তার মানে কখনোই এরকম নয় যে, যারা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জানেন তারাই আসলে গান জানেন, বাকিরা জানেন না। এটা একেবারেই ভুল ধারণা।

লোকসঙ্গীতে আমরা বারবার যে বাউল শব্দটি শুনি, এটি কি আসলে একটি ধারণা? 

নাহ, এটি ধারণা নয়, এটি যার যার ভাবনা। বাউলরা দেহতত্ত্ব,  রসতত্ত্ব, কামতত্ত্ব নিয়ে গান বাঁধেন। বাউল হল আসলে কিছু কিছু গান এবং ধারার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। বাউল আসলে একটি সম্প্রদায়। সেখান থেকেই হয়তো লোকসঙ্গীত আসেনি। যদিও সেটি একটি তর্কসাপেক্ষ বিষয়। আমরা যদি বলি মায়ের চরিত্র কী? কপালে একটি সুন্দর লাল টিপ থাকবে। সেরকমই, লোকসঙ্গীতেও বাউলের একটি ধারণা রয়েছে।

এখনকার এই প্রযুক্তির যুগে কোথাও গিয়ে কি হারিয়ে যাচ্ছে সেই একতারার টংকার? এই একতারার টংকার কি বর্তমানে শুধুমাত্র স্টাইল আইকনে রূপান্তরিত হয়েছে?

একতারার টংকার আমার কোথাও গিয়ে মনে হচ্ছে, সত্যিই হারিয়ে যাচ্ছে।  বর্তমান প্রজন্মের মেয়ে হয়েই বলছি, এতো প্রযুক্তির হাতছানির মাঝে একতারার টংকার ক্রমশঃ বিলুপ্ত হচ্ছে। তোমার গীটার যদি আমার হতে পারে, তাহলে আমার একতারা তোমার হবে না কেন? – এটাই ছিল কালিকা দার ভাবনা। এই আদানপ্রদানটি যখনই আসবে তখনই এই প্রযুক্তির যুগে একতারার টংকার হারিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গই আসবে না।

যুগ যেভাবে নিয়ে যাবে তোমাকে সেভাবেই চলতে হবে। কিন্তু স্রোতের বিপরীত দিকে যারা হাঁটছেন, তারা আপ্রাণ চাইবো একতারা যেন স্টাইল আইকনে পরিণত না হয়। কারণ তাহলে একটা সময়ের পর সেই একতারাটাও হারিয়ে যাবে।

সফটওয়্যারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা কি গানের ক্ষতি করছে?

যদি এরকম হয় রেকর্ডেড ভারসান একরকম শুনলাম, আবার লাইভ অন্যরকম তাহলে সেটা বেশ হাস্যকর। এটা অবশ্যই সঙ্গীতের ক্ষতি করে। এর ফলে নিজস্বতা হারিয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত বিষয়টি আবার সৃষ্টিকেই ধ্বংস করে দেয়।

আজকাল দেখা যায়, একসঙ্গে মঞ্চে পারফর্ম করার পর সহ-শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগই রাখেন না অনেকেই। এ ব্যাপারে আপনি কী বলবেন?

আমার তো যোগাযোগ থাকে। আমি আমার সিনিয়র, জুনিয়র সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখি ভীষণভাবেই। বাকিদের কথা বলতে পারবো না।

ফোকের সঙ্গে ফিউশন শব্দটি এখন খুব শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

ওই যে বললাম, অতিরিক্ত জিনিসটি সৃষ্টিকেই ধ্বংস করে দেয়। ফোকের সঙ্গে ফিউশনের দরকারটা কোথায়? ফিউশনটা আলাদা হোক, ফোকটা আলাদা হোক। কিন্তু কে বোঝাবে? আমি তো কোনদিন ফোক-ফিউশন করে উঠতে পারিনি, আর ভবিষ্যতেও করবো না। কারণ আমি মনে করি লোকসঙ্গীত একটি নিজস্ব ইন্সটিটিউশন। আলাদা করে বাইরের থেকে কিছু উপাদান এনে অতিরঞ্জিত করে দর্শককে পরিবেশন করার কোনও মানে হয় না।

আমি বলছি না সব সময় বাউলের পোশাক পরে গাইতে হবে। লোকসঙ্গীতের যে নিজস্বতা, তার ভাবধারাকে বজায় রেখেই সব কিছু করা যায়। কিন্তু আমার মনে হয় না, ওই ভাবধারা বজায় রাখতে গেলে অন্য উপাদান এনে ফোকের ভাবধারাকে খোঁচাতে হবে। ফোকের সঙ্গে দরকারই নেই ফিউশনের।

কোন কোন লোকসঙ্গীত শিল্পীর জীবনবোধ আপনাকে প্রভাবিত করে?

এক্কেবারে একমেব দ্বিতীয়ম, কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য্য। রিয়্যালিটি শো-তে অংশগ্রহণের আগে লোকসঙ্গীত শুধু জানতাম, শুনতাম। আজ আমি এতো ভাবধারা নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি,  এতো কথা বলছি সবটাই শিখেছি সেই রিয়্যালিটি শোয়ের এক গুরুস্থানীয় মানুষ কালিকাপ্রসাদের কাছে। আমার জীবনে লোকসঙ্গীত জগতের একমাত্র ধ্রুবতারা সেই মানুষটিকেই অনুসরণ করে, তার ভাবধারাতেই প্রভাবিত হয়ে পথ চলেছি। একটু মজা করেই বলি(খানিক হেসে), আজ আমার এই অবস্থা। এই যে গান গাই, সেসবই কালিকা দার জন্য।

এখনকার তরুণ সঙ্গীতশিল্পীদের একটি অভিযোগ রয়েছে। অ্যারেঞ্জাররা শিল্পীকে নিজস্ব সেট-আপ বিসর্জন দিয়ে তাদের সেট-আপে গান গাইতে বাধ্য করছেন। এর ফলে সম্পূর্ণ বোঝাপড়া বিহীন সেট-আপের সঙ্গে গাইতে গিয়ে অনুষ্ঠানের মান পড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনি কী বলছেন?

হ্যাঁ, এটা হয়। এখানে আমি কাউকে ছোট বা উদ্দেশ্য করে বলছি না। নিজস্ব সেট-আপ থাকলে সুবিধাই হয়। নিজেদের একটা যোগ-বিয়োগ থাকে, নিজস্ব বোঝাপড়া থাকে। সেখানে গান গাওয়াটা যতোটা সহজ আর সাবলীল, সেটা অচেনা সেট-আপে খানিকটা হলেও কষ্টকর। অন্য সেট-আপের সঙ্গে পনেরো বার রিহার্সাল দিলেও সেই ইশারাটা ওরা বুঝবে না, যেটা নিজেদের লোক বুঝবে।

শান্তিনিকেতনে পড়ার সময় আপনি সোনাঝুরির হাটের বাউলদের কাছে গান শিখতেন বলে জানা গিয়েছে। কেমন সেই অভিজ্ঞতা?

বাউলদের কাছে গান শিখতাম এমনটা নয়। প্রতি শনিবার সোনাঝুরিতে একটি জনপ্রিয় হাট বসে। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ সেই হাটে আসেন। সেখানে বাউলরা বসে গান গেয়ে থাকেন। সেটাই শান্তিনিকেতনের পরিবেশ। সেখান থেকেই লোকসঙ্গীতের প্রতি আমার ভালোবাসার জন্ম।

সঙ্গীতকে নিয়ে আপনার স্বপ্ন কী?

ব্যাক্তিগত স্বপ্ন যদি বলি। শুধু গান গেয়ে যাবো, মানুষকে আনন্দ দিয়ে যাবো। ঠিক পথে, কোনও ফিউশন না করে নিজস্বতাকে মানুষের কাছে তুলে ধরা। এভাবে গাইতে গাইতেই এমন একটা জায়গায় পৌঁছব যে, হ্যাঁ, পৌষালী গান গাইছে এবং হাজার মানুষ তা শুনছেন। আমার খুব একটি পছন্দের জায়গা আছে। নিউইয়র্ক ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন। সেই ঐতিহ্যপূর্ণ জায়গায় আমি পারফর্ম করতে চাই।  সেখানে অনেক ভারতীয় গান গেয়ে এসেছেন। আমার ইচ্ছা আমি লোকসঙ্গীতের ডালি নিয়ে ম্যাডিসন স্কোয়ারে গান গাইবো। যেদিন গাইবো, তার পরের দিন যদি মরেও যাই, কোনও আফসোস থাকবেনা।

আমার মনে হচ্ছে, খুব অ্যাপস এবং প্রযুক্তির ভিড়ে লোকসঙ্গীত হারিয়ে যাচ্ছে। যতদিন গলায় সুর থাকবে, মনে জোর থাকবে, আমি এই লোকসঙ্গীতকে ঠিক জায়গায়, ঠিক ভাবে নিয়ে যাবোই। এটা আমার নিজের কাছে প্রতিশ্রুতি, এটা কালিকাদার কাছেও প্রতিশ্রুতি ছিল। আমি সেটাই চেষ্টা করবো।

 

র‍্যাপিড ফায়ার রাউন্ডঃ- 

প্রিয় বেড়ানোর জায়গা –  ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন, নিউইয়র্ক।

প্রিয় রঙ – গোলাপী

প্রিয় বই – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের যে কোনও বই।

প্রিয় সুরকার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

প্রিয় গায়ক ও গায়িকা – কিশোর কুমার, আশা জি।

সঙ্গীতশিল্পী না হলে কী হতেন? – এয়ার হোস্টেস।

প্রিয় খাদ্য – মোমো।

 

 

 

 

Promotion