EXCLUSIVE NEWS

আন্দোলনের চাপে নতিস্বীকার পর্ষদের, ছাত্রভোটের অনুমতি চার বিশ্ববিদ্যালয়কে

 

ছাত্রছাত্রীদের সংঘবদ্ধ আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নতিস্বীকার করল রাজ্য উচ্চশিক্ষা পর্ষদ। রাজ্যের চার বিশ্ববিদ্যালয়কেকে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করার অনুমতি দেওয়ার কথা জানানো হল পর্ষদের তরফে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলি হল ১.যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ২.প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, ৩.রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৪.ডায়মন্ড-হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়। এই মর্মে গত বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবন থেকে পর্ষদের সহকারী সম্পাদক শ্রী অঞ্জন বিশ্বাস উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নির্দেশিকা চিঠি পাঠান।

 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৭ সালে শেষবার রাজ্যে’ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। বিভিন্ন কলেজে হিংসা ছড়িয়ে পড়রার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে উচ্চ শিক্ষা পর্ষদ কলেজে/বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদগুলিকে ভেঙে দেয়। সেই থেকে আর কোনও নির্বাচন হয়নি। তাই বিগত দু’বছর ধরে লাগাতার আন্দোলন চলছে ছাত্রদের তরফে। এই দাবীতে  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বেশ কয়েক বার উত্তপ্ত হয়েছে, উপাচার্য সুরঞ্জন দাশও ঘেরাও হন। সেখানে একটি গণভোটেরও আয়োজন করা হয় যাতে প্রায় ৯৫ শতাংশ ভোট পড়ে নির্বাচনের পক্ষে। পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে মূলতঃ সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকেই ভোটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে যাদের অধীনে নেই কোনও কলেজ। কী পদ্ধতিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করবে।

 

 

দীর্ঘদিনের আন্দোলন সফল হওয়ায় যথেষ্টই খুশি ছাত্রছাত্রীরা। ফেসবুক সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। একরোখা লড়াই শুরু করে যাদবপুর। পাশে দাঁড়িয়েছিল প্রেসিডেন্সি, কলকাতা, বর্ধমানসহ নানা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রামী লড়াকু ছাত্রছাত্রীরা। “ছাত্রছাত্রী শক্তি শেষ অবধি লড়াই করে জিতে নিতে পেরেছে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকশনের দাবী। এর মাঝে মিছিল করতে, স্লোগান দিতে, ইউনিয়নের পতাকাকে বহন করতে হাজির হয়েছে হাজার হাজার মাথা। তবু লড়াই জারী থেকেছে গর্জে ওঠার অভ্যেসে।” লিখেছেন এক ছাত্র। উচ্চ শিক্ষা পর্ষদের এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও নির্বাচন হওয়ার পথ প্রশস্ত করবে বলে আশাবাদী সকলে।                                                                                                                                                                চিত্র ঋণ – চাঁদ কুমার ঘোষ

Promotion