EXCLUSIVE NEWS

অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্যান্টালুনসের কর্মীদের জয়ে অক্সিজেন জোগালো বাংলা পক্ষ

 

২০১৯-এর স্বাধীনতা দিবসে হাওড়ার অবনী মলের প্যান্টালুনসের কর্মী মনোজ বাঙাল প্রতিবাদে সরব হন। ইংরেজি গানের পরিবর্তে চালানো হোক দেশাত্মবোধক গান, এটুকুই ছিল তার দাবী। অথচ ওই কর্মীকে ক্রেতাদের সামনেই অপমান করে প্যান্টালুনস কর্তৃপক্ষ। এখানেই ঘটনার শেষ নয়। একের পর এক কর্মীকে নানান অজুহাত দেখিয়ে  ছাঁটাইয়ের নোটিস ধরানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকি কর্মীদের জোর করে ‘নমস্কার’ বলতে বারণ করে ‘নমস্তে’ বলতে বাধ্য করা হয়, ওঠে এরকম চাঞ্চল্যকর অভিযোগও। অবশেষে প্যান্টালুনসের বিভিন্ন শাখার কিছু কর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে টানা শান্তিপূর্ণ অবস্থান শুরু করেন। ক্যামাক স্ট্রিট প্যান্টালুনসের ভেতরের ফ্লোরেই চলতে থাকে ২৫ জন কর্মীর বিক্ষোভ।

 

 

এই লড়াইয়ে বাংলা পক্ষ সামিল হলে তা আরও বড় আকার ধারণ করে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অসহায় কর্মীদের বিক্ষোভ ভাইরাল হলে প্রতিষ্ঠানটিকে বয়কটের ডাক ওঠে। আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও। অবশেষে চাপের মুখে মাথা নোয়াতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। প্যান্টালুনসের তরফে জানানো হয় দ্রুত ওই ২৫ জনকে কাজে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি প্রশ্ন তোলেন, ওই কোম্পানিতে ৬০ শতাংশ অবাঙালি এবং প্রায় ৪০ শতাংশ বাঙালি কাজ করে। কিন্তু ছাঁটাইয়ের সময় ৯০ শতাংশ বাঙালি কেন?” তাঁর বক্তব্য, ১৯৪৩ সালে বিড়লার চালের কালবাজারিতে যে দুর্ভিক্ষ হয়, তাতে ৫০ লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছিলেন। বাঙালির রক্তচোষা সেই বিড়লাই এখন বাঙালির চাকরি খেয়ে নিচ্ছে। বাংলায় এই জিনিস চলতে দেওয়া হবেনা।

 

Promotion