EXCLUSIVE NEWS

জন্মাল ‘ঐক্য বাংলা’, অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে বাঙালির সবরকম অধিকারের জন্য লড়ার ঘোষণা

 

বাংলা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ধারায় যুক্ত হল আরও এক নতুন স্রোত, যার নাম ‘ঐক্য বাংলা’। অতি সম্প্রতি কলকাতা প্রেস ক্লাবে আত্মপ্রকাশ করল বাংলার এই প্রথম মুক্তপন্থী বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন। ঐক্য বাংলার জন্মলগ্নের এই মহরতে হাজির ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদিকা সুলগ্না দাশগুপ্ত, সহযোদ্ধা দেবায়ন সিংহ, অভিজ্ঞান সাহা, আশিস ভট্টাচার্য, সোমনাথ সরকার, চন্দন দাস, মোনালিসা মিত্র সহ আরও অনেকে। এছাড়াও উপস্থিতের তালিকায় ছিলেন লেখক অনির্বাণ মুখার্জি, সঙ্গীত শিল্পী অমিত রায়, কৌতুকাভিনেতা ও মানবাধিকার কর্মী তথা সিপিডিআর সংস্থার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব ঘোষ, চিত্র পরিচালক অরূপ ভঞ্জ প্রমুখ।সংগঠনের লক্ষ্য নির্ণায়ক পাঁচটি মূল স্তম্ভ তুলে ধরা হয়। ‘সবার উপর বাঙালি সত্য’, ‘বাংলার ক্ষমতা বাংলার হাতে’, ‘কিনুন বাঙালির থেকে কাজে রাখুন বাঙালিকে’, ‘বাঙালি সাহসী বাঙালি উদ্যোগী’ এবং ‘সফল বাঙালির ঠিকানা বাংলা’। ‘মুক্তপন্থী’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মুক্ত পন্থায় অর্থাৎ প্রো-ফ্রি মার্কেট নীতিতে বিশ্বাসী। সুলগ্না আরও জানান, তাদের লড়াই শুধুমাত্র বাঙালির অর্থনীতি ঘেঁষা হবেনা।

 

দলের সাধারণ সম্পাদক সুলগ্না দাশগুপ্ত ‘এক্সক্লুসিভ অধিরথ’কে দিলেন বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর। বাংলা পক্ষ নামক একটি বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের সঙ্গে আপনারা যুক্ত ছিলেন। তার মতাদর্শগত প্রভাব কতোটা পড়বে ‘ঐক্য বাংলা’য়? উত্তরে তিনি বলেন, “ঐক্য বাংলার বেশিরভাগ অংশই নতুন মুখ। আমরা কিছুজনই বাংলা পক্ষর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলাম একটা সময়ে। বাংলা পক্ষে সাম্প্রদায়িকতার একটি প্রভাব রয়েছে বলেই মনে করি। কানে এসেছে বাংলা পক্ষের কৌশিক মাইতি একটি সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখে। প্যাণ্টালুনস কান্ডেও বিজেপি যুবনেত্রীর সঙ্গে যৌথভাবে গর্গ চ্যাটার্জীকে কর্মসূচি নিতে দেখা গিয়েছে। গর্গ চ্যাটার্জী নিজেই বলেছেন বিজেপি সাম্প্রদায়িক নয়। নরেন্দ্র মোদি বাংলার এলেন, তখনও সক্রিয়ভাবে রাস্তায় নামেনি বাংলা পক্ষ। আমাদের সংগঠনে সেরকম সাম্প্রদায়িকতার ছাপ থাকছে না। আমরা পরিচয় নির্বিশেষে বাঙালির সমানাধিকারে বিশ্বাসী।

 

বাঙালির অধিকার নিয়ে এই মুহূর্তে আরও সংগঠন যেমন বাংলা পক্ষ, বাংলা জাতীয় সম্মেলন বা বঙ্গ যোদ্ধা লড়ছে। তাহলে ঐক্য বাংলার প্রাসঙ্গিকতা কোথায়? এর উত্তরে সুলগ্না জানান, “এই তিনটি সংগঠনের কেউই কিন্তু বাংলার অর্থনীতি নিয়ে তাদের কোনও অবস্থানই নেই। তারা মুখে বলেন বাংলার চাকরি-ব্যবসার দখল বাঙালির হাতে আসা উচিৎ, ওই পর্যন্তই। তিনি আরও জানান, একজন সফল বাঙালি আজ স্টার্ট-আপ খুলছেন বেঙ্গালুরুতে, গবেষণা করতে তাঁকে যেতে হচ্ছে রাজ্যের বাইরে। কিন্তু কেন? বাংলা কেন একজন সফল বাঙালির ঠিকানা হচ্ছে না?

 

 

 

 

 

 

 

 

Promotion