Notice: Undefined index: status in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/plugins/easy-facebook-likebox/easy-facebook-likebox.php on line 69

Warning: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/themes/herald/functions.php on line 73
নূপুর সাহা - যতো দিন বাঁচবো, লোকসঙ্গীতকে নিয়েই থাকবো - Exclusive Adhirath
মেঘে ঢাকা তারা

নূপুর সাহা – যতো দিন বাঁচবো, লোকসঙ্গীতকে নিয়েই থাকবো

সঙ্গীতের সঙ্গে আপনার রিলেশনশিপ কবে কীভাবে শুরু?

সঙ্গীতের সঙ্গে সম্পর্ক বলতে গেলে একদম পাঁচ বছর বয়েস থেকেই হারমোনিয়াম বাজিয়ে সারেগামা শেখা শুরু করি। আমার বাবা ছিলেন একাধারে বাঁশি, তবলা এবং বেহালা বাদক। বাবাই নিজের হাতে আমাকে শিখিয়েছিলেন গান। তারপর বাবা এক গুরুর কাছে নিয়ে যান। তার নাম গৌরী চক্রবর্তী। তার কাছেই আমি প্রথম গান শিখি। এরপর অনিমা চক্রবর্তীর কাছে আরেকটি ঘরানার তালিম নিই। সব শেষে যে গুরুর কাছে শিখতে যাই তার নাম গোপা কাঞ্জিলাল। ওনার কাছ থেকে সঙ্গীত জগতে পা রাখা শুরু হয়।

এখনও কী কী কাজ গানের জগতে আপনি করেছেন?

মাঝখানে সংসার জনিত কারণে আমি গানের থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিলাম। ২৭ বছর পর আবার যখন পথচলা শুরু করলাম, আমার একটি সিঙ্গলস অ্যালবাম সম্প্রতি রিলিজ করেছি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই এটি মুক্তি পায়, যেটির নাম ‘দুগগা মায়ের জয়’। গানটি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাঙালিরাও শুনেছেন। তাছাড়া মিস জোজো, জিনিয়া, নিলাভ্র রায়, ইন্দ্রানী হালদার, তুতুমা গাঙ্গুলী, রাজু ভট্টাচার্য, সমীর সাহা এনাদের সঙ্গে স্টেজ শেয়ার করেছি।

প্রত্যেক গায়ক-গায়িকারই মুম্বই যাওয়ার স্বপ্ন থাকে। আপনারও কি সেরকম কোনও স্বপ্ন রয়েছে?

আমারও ১০০% মুম্বই যাওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। যেদিনই সুযোগ পাবো সেদিনই মুম্বই পাড়ি দেবো। আর মুম্বই আমার সেই ড্রিম ডেস্টিনেশন যেখান থেকে আমি গান নিয়ে কাজ করতে চাই।

কেন লোকসঙ্গীতকেই আপনি ঘরানা হিসেবে বাছলেন?

লোকসঙ্গীত এমনই একটি ঘরানা, যেটি আসলে মানুষের মনকে টানে। লোকসঙ্গীতের মাধ্যমে মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। লোকসঙ্গীত আমার মনকেও ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে। তাই এটিকেই আমি বেছে নিয়েছি। এটি আমার ভেতর থেকে আসে, আত্মার থেকে আসে।

কোন লোকসঙ্গীত শিল্পীর জীবনবোধ আপনাকে প্রভাবিত করে?

প্রথমেই বলি, লালন ফকির। বলতে পারেন, উনি আমার বাবা যাকে আমি দিনরাত সাধনা করি। এভাবেই আমি চলি তার গান গেয়ে।

একজন শিল্পী হিসেবে সমাজের প্রতি আপনার কী দায়বদ্ধতা রয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

আমি তো সমাজের দায়বদ্ধতা নিতে ভালবাসি। ব্যাক্তিগত জীবনেও আমি প্রচুর কাজ করার চেষ্টা করি। যেদিন আমি সম্পূর্ণ ভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলতে পারবো, তখন আরও বেশি করে আমি মানুষের পাশে থাকতে পারবো আশা করি।

অতিরিক্ত প্রযুক্তি-নির্ভরতা কি সঙ্গীতের ক্ষতি করছে?

একেবারেই করছে ক্ষতি। একটি মানুষের যে স্বাভাবিক ভয়েস, সেটিকে সম্পূর্ণ পাল্টে ফেলে অন্য আরেকটি ভয়েস তৈরি হচ্ছে। যা আসলে নিজস্বতাকেই আড়াল করার সামিল। ফলে যারা সত্যিই ভালো গান, তাদের গান না শুনে এই মিক্সিংয়ের জাঁক-জমকের দিকেই মানুষ বেশি আকৃষ্ট হবেন।

লোকসঙ্গীতকে ঘিরে আপনার স্বপ্ন কী?

লোকসঙ্গীত আমার কাছে সন্তানের মতোই। স্বাভাবিকভাবেই তাকে ঘিরে অনেক স্বপ্নই আমার থাকবে। তাকে আমি বিরাট ভাবে ধারণ করতে চাই যা আমার জীবনের একটি অন্যতম অঙ্গ হয়ে থাকবে। যতো দিন আমি বেঁচে থাকবো, লোকসঙ্গীতকে নিয়েই বেঁচে থাকবো।

 

 

 

 

 

Promotion