Editorial

ভোটপ্রচারে প্রতিশ্রুতির বন্যা, অথচ মালদার GKCIET-এর প্রতারিতদের নিয়ে আশ্চর্য নীরবতা

কান পাতলেই ভোটের বাদ্যি। পাড়ায় পাড়ায় রাজনৈতিক তরজা থেকে টিভি চ্যানেলের বিতর্ক সভা কিংবা বিকেলের চায়ের ঠেকের তর্ক। সবমিলিয়ে এক উৎসবের রব, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসব। সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া পাইয়ে দেওয়ার জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের উৎসব। বঞ্চিতের অধিকার বুঝিয়ে দেওয়ার উৎসব। এই উৎসবের শোরগোলের মাঝেও কোথাও গিয়ে একটি বিষয় নিয়ে কিন্তু কোনো আওয়াজই নেই। টুঁ শব্দটুকুও একদমই নেই বঞ্চিত প্রতারিত মালদার GKCIET শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান নিয়ে, চলছে এক আশ্চর্য নীরবতা।হ্যাঁ, GKCIET। মনে পড়ে সেই GKCIET কে? আমি শাইন জাহেদিও সেই প্রতারিতদেরই একজন। যারা বৈধ সার্টিফিকেটের দাবিতে মালদার ক্যাম্পাসে আন্দোলন করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে যাওয়া সহপাঠিনীর ন্যায্য দাবির লড়াইকে স্বীকৃতি দিয়ে ন্যায্য বিচার চাইতে এসেছিল কলকাতার রাস্তায়। যারা রোদ জলে ভিজে খোলা আকাশের নিচে ৭০ দিন মরণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে বাধ্য করেছিল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সংস্থা তথা কেন্দ্রীয় সরকারকে তাদের ন্যায্য পাওনা পড়াশুনার পরে বৈধ সার্টিফিকেটের দাবিকে স্বীকৃতি দেওয়াতে। বাধ্য করেছিল আন্দোলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারকে ছাত্রছাত্রীদের দাবির সমর্থনে গেজেট নোটিফিকেশন বের করাতে। বাধ্য করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষকে তাদের ভর্তির সময় করা দাবি অনুযায়ী মডিউলার প্যাটার্নের কোর্সটিকে সম্পূর্ণ করানোর লিখিত আশ্বাস দেওয়াতে। মনে পড়ে সেই GKCIET কে? যেখানকার প্রতারিত ছাত্রছাত্রীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের দ্বারা মডুলার প্যাটার্নের ৬ বছরের কোর্সটি সম্পূর্ণ করানোর কথা উল্লিখিত নোটিস জারির পর আন্দোলন সাময়িক স্থগিত রেখে সরকার আর প্রশাসনের উপর ভরসা রেখে মূলস্রোতে ফিরে কলেজে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল?

মনে কি পড়ে সেই GKCIET কে? যাদের শান্তিপূর্ণ পরীক্ষার শেষ দিন কলেজ কর্তৃপক্ষ উপহার স্বরূপ নিরাপত্তা রক্ষী ও পুলিশ দিয়ে নির্মমভাবে লাঠিপেটা করিয়েছিল। কারণ  ৪ বছরের শেষে অন্তিম ২ বছরের কোর্সে ভর্তির প্রক্রিয়াটি কখন শুরু হবে জিজ্ঞেস করার কারণে। শেষ পরীক্ষার দিন ছাত্রছাত্রীদের প্রশ্ন করার অপরাধে হাত পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, অনৈতিকভাবে যেখানে ছাত্রছাত্রীদের পুলিস আটকে রেখে ডিটেনশন ক্যাম্পের মতো অত্যাচার করেছিল। বাধ্য করিয়েছিল ১৫ জন ছাত্রছাত্রীকে মেরে মেডিক্যাল কলেজের বেডে শুইয়ে দিতে, প্রশ্ন করার অপরাধে। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের ফলে কেন্দ্রীয় সরকার ছাত্রছাত্রীদের সার্টিফিকেটগুলিকে বৈধ বলে গেজেটের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিলেও সেই কেন্দ্রীয় সরকারেরই কলেজ নিজেদের ছাত্রছাত্রীদের সার্টিফিকেটগুলিকেই বৈধ বলে স্বীকার করতে চায়নি। চায়নি সরকারের গেজেটকে মান্যতা দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির সময় দাবি করা ৬ বছরের কোর্সটিকে নোটিস জারির পরেও ভর্তি নিয়ে সম্পূর্ণ করাতে।

কেমন আছে সেই GKCIET-এর নুজরাত, কুণাল, শাহিদ, রুমন, তাপস, হাসান, দেবনন্দন, রিজুরা?? যাদের কাছ থেকে কথা শুনেও শোনেনি কোনো সরকার, প্রশাসন। তাদের সঙ্গে হওয়া অন্যায় অবিচার, প্রতারণা ও অত্যাচারের গাথা। আপনাদের মনে হয়তো পড়ে ঠিকই তাদের কথা কিন্তু খোঁজ নেওয়াটা ঠিক হয়ে ওঠে না। তবুও তো হয়ে ওঠে না! কিন্তু এখানকার রাজনেতাদের হয়ে ওঠাটাও দূরেই থাক, ওনাদের ব্যাস্ত কাজের ফাঁকে এই ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতগুলোর চেয়েও অনেক মূল্যবান কাজ রয়েছে। রয়েছে মন্দির, মসজিদ,ব্রাহ্মণ, শূদ্রের মতো বহু মূল্যবান রাজনৈতিক ইস্যুও। তাই এই উত্তাল ভোটবাজারের চেঁচামেচিতেও GKCIET ব্রাত্য, কেমন যেন নিশ্চুপ।কিন্তু কেউ কোনও খোঁজ না নিলেও অন্তত আমরা সেই খোঁজটুকু আপনাদের দিয়ে দেবই। শেষ পরীক্ষার দিন কলেজ কর্তৃপক্ষের থেকে হিংসাত্মক পুরষ্কার পাওয়ার পর GKCIET-এর পড়ুয়ারা বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে দরবার করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিদের কাছে ছুটেছে। শুধুই একটুকু বিচার আর কলেজ কর্তৃপক্ষের লিখিত দাবি মতো মডিউলার কোর্সটিকে সম্পূর্ণ করানোর দাবি নিয়ে। লাভ কি হয়েছে কিছু? মালদার জেলা প্রশাসনের তরফে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকের আহ্বানে ছাত্রছাত্রীরা সাড়া দিয়ে যথাসময়ে যথাস্থানে পৌছে গেলেও কর্তৃপক্ষের অনীহা ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেটা কার্যত নাটকে পরিণত হয়। একসময়ের GKCIET পড়ুয়া তথা বর্তমানে রাস্তায় ফল বিক্রেতা রিজু দাস। কেন তাকে এই ফল বিক্রি বেছে নিতে হল? ছলছল চোখেও হাসতে হাসতে বললো, “খরচের কথা ভেবে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনার কথা কল্পনাতেও আমার আসতো না। তারপরেও মালদাতে বাড়ির কাছে এরকম এক কেন্দ্রীয় সরকারের কলেজে ভর্তি হলেও একটা ৬ বছরের কোর্সের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাসহ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ আমাদের আশা জাগাতে শিখিয়েছিল। সেই আশাতেই ভর করে ২০১৪ সালে ভর্তি হয়েছিলাম এই কলেজে। আমার মতো গরীব ছেলের যে পড়াশুনার অধিকার নেই বরং ফল বিক্রি করাটাই যে আমাদের স্বপ্ন সেটাই যে এই শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বুঝিয়ে দিবে কল্পনাও করতে পারিনি। তবে ফলের ঠেলা বন্ধ রেখেও পা মেলায় GKCIET-এর প্রতারণার বিরুদ্ধে ভর্তির দাবিতে ডাকা সমস্ত কর্মসূচিতে যাই। যে GKCIET আমাকে ইঞ্জিনিয়ার বানিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে পারতো, সেই আজ আমাকে প্রতারিত করেছে রাস্তায় নামিয়েছে আরো পিছিয়ে দিয়েছে সামনের ঘন কালো অনিশ্চিত অন্ধকারে। তাই সংসারের পিছুটান রোজগারের খোঁজে পড়াশুনা বাদ দিয়ে ফল বিক্রি করতেই শুরু করেছি আজ।” তার ছলছল চোখে হাসিটা যেনো প্রশাসন সরকারের সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে অবজ্ঞা করার বাস্তব চিত্রটাকেই ফুটিয়ে তুললো।

শুধুই কি রিজু দাস? আমরা পৌছে গিয়েছিলাম GKCIET ক্যাম্পাসে আক্রান্ত ছাত্র হাসান, শাহিদ, রুমন, নুজরাতদের কাছেও। হাসানকে GKCIET নিয়ে প্রশ্ন করতেই উঠে এলো একরাশ হতাশা। উদাসী সুরে হাসান বললো দাদা সরকারের গেজেট নোটিফিকেশন এর পর ভেবেছিলাম সব ঠিক হয়ে যাবে। ভেবেছিলাম GKCIET তেই পুনরায় আগের মতোই পড়াশুনা সম্পূর্ণ করবো। কিন্তু আর হলো কই? গেজেট বেরোনোর পর কলেজ কর্তৃপক্ষের আহ্বানে কলকাতা থেকে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধি দলে আমিই এসেছিলাম মালদায়। ক্যাম্পাসে ডিরেক্টর ও মালদা থানার আইসি’র উপস্থিতিতে বসেছিলাম মিটিংয়ে। সেই মিটিং এর মাধ্যমেই স্থির হয় যে যেহেতু গেজেট নোটিফিকেসান বেরিয়ে গেছে এবং তাতে মডিউলার প্যাটার্নের ৬ বছরের কোর্সটির উল্লেখ রয়েছে এবং কোর্সগুলোকে বৈধ বলা হয়েছে সেহেতু আমাদের ভর্তি নিতে কোনো সমস্যা নেই। মিটিংয়ে এই মর্মে ডিরেক্টর একটি নোটিসও জারি করে। তাতে শুধু কলেজের রেজিস্ট্রারের সই সিল নয়, সঙ্গে কপি টু করা ছিল মালদার জেলাশাসক, এসপি এবং মালদা থানার আইসিকেও। তার পরেও আজ আমরা প্রায় ৬ মাস ধরে বাড়িতে বসে আছি। কলেজ কর্তৃপক্ষ গেজেটকে মান্যতা দিয়ে আমাদের ভর্তি নেওয়া তো দুর কথাটুকু পর্যন্ত বলছে না। আমাদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, হোস্টেল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বলতে ওই শেষ পরীক্ষার দিন ডিটেনশন ক্যাম্পের মতো আটকে আমাদের হাত পা ভেঙে দেওয়া টুকুই। তারপর আর প্রশাসন আমাদের দাবি দাওয়া শোনা তো দূর অস্ত, দেখাও করেন নি। তারপরেও আমি প্রত্যেক সপ্তাহে একবার করে বন্ধুদের নিয়ে মালদার প্রশাসনিক দপ্তরে এখনও যাই। কেন্দ্রীয় সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকে চিঠি লিখি, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিই। ইতিমধ্যে রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করেছি, সুরাহা পাইনি।

পড়াশুনার প্রশ্নে রুমন জানালো, পড়াশুনা আমার কাছে একটা সংগ্রামের মতো ছিল। এই প্রান্তিক গ্রাম থেকে প্রথম একজন ইঞ্জিনিয়ার হতে গেছিলাম। অনেক কষ্টে টাকা জমিয়ে পড়াশুনা করছিলাম। ভেবেছিলাম ৬ বছর কষ্ট করে পড়াশুনা করে অন্তত প্রতিষ্ঠিত হবো। সকাল সকাল উঠে আগে প্রতিদিন স্নান করে খালি পেটেই সাইকেল চালিয়ে স্ট্যান্ড যেতাম। সেখানে সাইকেল রেখে মালদা যাওয়ার বাস ধরতাম। দুই বার গাড়ি বদলে ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছতাম কলেজে। এটাই ছিল প্রতিদিনের রুটিন। উচ্চশিক্ষার শখটা ছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের জালিয়াতি আর সরকারের অনীহায় সেটা আর হয়ে উঠলো কই? আগামীতে উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে কি ভেবেছো? প্রশ্নের জবাবে রুমন বললো আর উচ্চশিক্ষা কোথায় পাবো দাদা? GKCIET উচ্চশিক্ষা দিলো না। আর আমার ব্রাঞ্চ ছিল ফুড টেকনোলজি যেটা উত্তরবঙ্গের কোনো কলেজে তো নেই এমনকি বাংলার হাতে গোনা কয়েকটা কলেজে পড়ানো হয়। তাই মালদা ছেড়ে দূরে কোথাও গিয়ে পড়াশুনার খরচ চালানোর কথা ভাবাটাও বিলাসিতা। আসলে আমার মত দরিদ্র পরিবার থেকে আসা পড়ুয়াদের স্বপ্ন দেখতে হয় সেগুলোকে বাস্তবায়িত করার জন্য নয় বরং খুন করার জন্যই।

প্রায় একই কথা বললেন GKCIET এর কম্পিউটার ব্রাঞ্চের পড়ুয়া শাহীদ। শাহিদ বর্তমানে একটি সিকিউরিটি এজেন্সিতে সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে কর্তব্যরত। সে উচ্চশিক্ষার প্রশ্নে বললো দাদা অনেক পড়ে নিয়েছি গো। সবার দ্বারা কি আর পড়াশুনা হয়?  অভাবের সংসারে বারংবার GKCIET-তে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতারণা তার পড়াশুনা এগিয়ে নিয়ে যেতে দেয়নি। এরপরেই আমরা যোগাযোগ করলাম সবং থেকে পড়তে আসা তাপসের সঙ্গে। ২০১৪ সালে সে ভর্তি হয়েছিল এই কলেজে। অনেক আশা নিয়ে সুদূর মেদিনীপুর থেকে মালদায় তার যাত্রা। কিন্তু পড়াশুনার এই যাত্রা তাকে সফলতা নয় বরং প্রতারিত করে তাকে দিয়েছে এক অন্ধকার ভবিষ্যৎ। বেকারত্বে অস্থির তাপস এখন কৃষিকাজে লেগেছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম এই যে লোকসভা ভোট দিচ্ছো? তাপস বলে উঠলো, “কিসের ভোট? আমরা এখনও স্বাধীন দেশে বসবাস করি? যদি বাস্তবেই আমরা স্বাধীন গনতন্ত্রের দেশে থাকতাম তাহলে কি বিচার পেতাম না? একটি সরকারি সংস্থাও যে ঠকাতে পারে এরকম আমি কেন, আপনিও কোনোদিন ভাবেন নি হয়তো! যাদের বাড়ি প্রতিদিন সকালে গিয়েছি আমাদের দাবিদাওয়া নিয়ে দিল্লিতে দরবার করার উদ্দেশ্যে অন্তত একটু কথা তুলার উদ্দেশ্যে, তাদের ওই ভাগাড়ে যেটাকে তারা সংসদ বলে? কোন সিস্টেমকে ভোট দেব? দেশে স্লোগান শুনি বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও। সেই বেটিদের কেন্দ্রীয় সরকারের কলেজের শিক্ষকরা হুমকি দেয় যে ক্যামেরা না থাকলে রেপ করে দিতাম। যেখানে ছাত্রীরা আন্দোলন করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পরেও কর্তৃপক্ষ, সরকার প্রশাসন নির্বিকার সেখানে যে এসব বিজ্ঞাপন নিছকই চোখে ধুলো দেওয়া সেটা GKCIET প্রমাণ করে। বাংলাতেও দেখি কন্যাশ্রীর বিজ্ঞাপন, যেখানকার মুখ্যমন্ত্রী নিজে একজন মহিলা সেই রাজ্যের পুলিস শেষ পরীক্ষার দিন অকারণে ন্যায্য দাবি চাওযায় আমার বান্ধবীকে লাঠিপেটা করলো। এটাই কি আসল কন্যাশ্রী?

বর্তমানে চারিদিকে ভোটের শোরগোলে প্রায় কান পাতা দায়। কিন্তু এই ভোটের গরম বাজারেও GKCIET সেই ব্রাত্যই। মালদার ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের অধিকার ফিরে পেতে কলকাতায় এতোদিন আন্দোলন চালানোর পরেও একটা রাজনৈতিক দলের ভোটের ইস্তাহারেও GKCIET-এর ছাত্রছাত্রীদের দাবির কথা নেই। নেই কোনো রাজনৈতিক ভাষণেও GKCIET-এর স্থান। তাহলে কি ছাত্রছাত্রীদের জীবন এদের কাছে এতোটাই তুচ্ছ? যতক্ষণ কোনো রাজনৈতিক দল তাদের ন্যায্য দাবির কথা তাদের রাজনৈতিক ইস্তাহারে কিংবা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি না আনছে ততক্ষণ আমরা ও আমাদের পরিবার ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকবে।

Promotion