Notice: Undefined index: status in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/plugins/easy-facebook-likebox/easy-facebook-likebox.php on line 69

Warning: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/themes/herald/functions.php on line 73
শ্রীরামপুরের বুকে লা ক্লাসিকো ছড়ালো ধ্রুপদী সঙ্গীতের মায়াজাল! - Exclusive Adhirath
Official Media Partner

শ্রীরামপুরের বুকে লা ক্লাসিকো ছড়ালো ধ্রুপদী সঙ্গীতের মায়াজাল!

সঙ্গীত নিয়ে এতো মাতামাতি, গ্ল্যামারের হাতছানি, এসবের মাঝে ভারতীয় ধ্রুপদী গান হয়ে যাচ্ছে সঙ্গীত সাম্রাজ্যের দুয়োরাণী। আসলে হয়তো ভাবনা-চিন্তার দিক দিয়ে আমরা ক্রমশঃ পিছিয়ে পড়ছি। ভুলে যাচ্ছি নিজেদের শিকড়কে, হ্যাঁ, ভুলে যাচ্ছি ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতকে। তাই নিছক স্বাদবদলের জন্য নয়, বরং নিজের সংস্কৃতির শিকড়ের খোঁজেই গত , ২১ এপ্রিল, রবিবার প্রমিথ গাঙ্গুলি মিউজিক অ্যাকাডেমি আয়োজন করে লা ক্লাসিকো ২০১৯। ঐতিহাসিক শহর শ্রীরামপুরের টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয় এই মার্গীয় সঙ্গীতের সন্ধ্যা।

লা ক্লাসিকোর শুরুটা বেশ অপ্রত্যাশিত ভাবেই হল। ছোট্ট শিঞ্জিনীর আবৃত্তি পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের খাতা খুললো। এরপরে মঞ্চে এলেন অরুন্ধতী এবং সহেলী। তারা শোনালেন অতুলপ্রসাদী সঙ্গীত। এরপর পালা ছিল ঈশা এবং ঝুমার, তারা বাগেশ্রী রাগের ওপর সঙ্গীত পেশ করলেন দর্শকের সামনে। তারানা গজল গাইলেন চন্দা এবং প্রাচী। এরপর সমবেত সরস্বতী বন্দনায় মেতে উঠলেন চন্দা, প্রাচী, সহেলী, ঈশা এবং ঝুমা। তবলায় কখনও সঙ্গত করলেন বিশ্বজিৎ আবার কখনও দেখা গেল নতুন মুখ সুতীর্থকে। গোটা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার গুরুদায়িত্ব যার কাঁধে ছিল তিনি হলেন অরূপ মান্না।

এরই ফাঁকে প্রমিথ গাঙ্গুলি মিউজিক অ্যাকাডেমির তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হল প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী এবং প্রশিক্ষিকা স্বপ্না ব্যানার্জী বসাককে। এরপর হয়তো মঞ্চ অপেক্ষা করছিলো বাংলার অন্যতম উদীয়মান নৃত্যশিল্পী বিজয়িনী বসাকের পারফরম্যান্সের জন্য। তার পরিবেশিত ভারতনাট্যম নৃত্য ছুঁয়ে গেল দর্শকদের মন। এবার এলো সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। যেখানে পশ্চিমবঙ্গ প্রথমবারের জন্য চাক্ষুষ করলো সত্রিয় ঘরানায় খোল-করতাল এবং বাঁশি বাদন। এটি পরিবেশন করলেন সিসিআরটি পুরস্কার প্রাপ্ত অসমের প্রখ্যাত শিল্পী অরুণাভ জ্যোতি মালাকার। তারপর মঞ্চে এলেন বহু প্রতীক্ষিত সঙ্গীতশিল্পী প্রমিথ গাঙ্গুলী। সেই সঙ্গে ছিলেন সন্তুর-বাদক হিন্দোলী ব্যানার্জী এবং তবলা-বাদক সৌমিত হালদার।  প্রায় এক ঘণ্টা দর্শক মোহিত হয়ে শুনলেন মেঘ রাগের ওপর তাদের এই তিগলবন্দী। সৌমিতের তবলার দৃপ্ত বাদনকে কোথাও যেন সাফল্যের সঙ্গেই ধারণ করেছিল হিন্দোলীর সন্তুরের কোমলতা।

“এ যেন শেষ হইয়াও হইলো না শেষ”। চমক তখনও কিছু বাকিই ছিল। টেরেস মোশন পিকচার্সের তরফে সেরা দশজন দর্শককে পাশে থাকার স্বীকৃতি জানানো হলো। এছাড়াও স্বল্প-দৈর্ঘ্যের ছবিতে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব সামলানোর স্বীকৃতি পেল বেশ কিছু নতুন মুখ। এভাবেই অভিনবত্বের চাদরে মুড়ে এদিনের মতো শেষ হল ভারতীয় সংস্কৃতির আকরের সন্ধান।

Promotion