EXCLUSIVE NEWS

“রাজা তোর কাপড় কোথায়?” ২৬ জানুয়ারি প্রশ্ন করলো হাওড়া?

 

৭১ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে হাওড়ার রানিহাটীতে এনআরসি-এনপিআর-ক্যা বিরোধী দিনভর অবস্থান থেকে এই প্রশ্নই ছুঁড়েদিলেন জনতা। দেশ এই মুহূর্তে ক্ষুধা তালিকায় পিছোতে পিছোতে ১০২ নম্বরে। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটানেরও পিছনে। যখন দেশে বেকারত্ব ভয়াবহ, দেশের সম্পদ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। ঠিক সেই সময় দাঁড়িয়ে দেশের মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কথা না ভেবে তাদের অথৈ জলে ফেলে দেওয়া এনআরসি-ক্যা কেন? ঠিক এই প্রশ্নের জবাব দাবী করেই এই প্রতিবাদী জমায়েত।

 

 

বক্তব্য, গান, কবিতা, নাচের মাধ্যমে নিজদের রুটি-রুজি তথা নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন হাজির মানুষজন। সাধারণতন্ত্র দিবসে সংবিধান প্রস্তাবনা পাঠ ও ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাষ্ট্রের সংবিধান বিরোধী চরিত্রের কথাও তুলে ধরেন আয়োজকরা। কলকাতা বা দিল্লীর ন্যায় প্রচারের আলোয় না থাকা এমন অনেকে সংগঠক-কর্মীই জেলায় জেলায় গ্রামে গ্রামে এনআরসি-এনপিআর-ক্যা বিরোধী বিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করছেন। সংগঠকদের তরফে শেখ ওবায়দুল্লাহ বলেন, সরকার আধার-প্যান-ভোটার লিংক করাতে করাতে আসলে মানুষে মানুষে ভালোবাসার লিংকটিই কেটে দিতে চাইছে।

 

সৌরভ প্রকৃতিবাদী বলেন, আসল লড়াই শহরে নয়। বরং গ্রামে মফঃস্বলে লড়তে হবে। নো এনআরসি মুভমেন্টের হাওড়া শাখা গত বছরের অক্টোবর থেকেই হাওড়ার গ্রামে গ্রামে কার্যকরী আন্দোলন গড়ে তোলার কাজ করছে। ছাত্রছাত্রী এবং নারীদের নেতৃত্বে আন্দোলন জোর পেয়েছে। তবে কোলকাতা বা দিল্লীর মতো মেট্রোপলিটনের সঙ্গে গ্রাম ভারতের আন্দোলন না গড়ে উঠলে লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে না বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

Promotion