বিশেষ অবশেষ

“তবু প্রেম করতে পারে অনেকেই হিরোশিমায়”

“খিদের কিন্তু সীমান্ত নেই নেই চিতা নেই কবরটাও, যুদ্ধটাকেই চিতায় তোলো যুদ্ধটাকেই কবর দাও।” আমেরিকা থেকে আসা এক ছোট্ট ছেলে আজ থেকে ৭৪ বছর আগে নাগাসাকি শহরে কেড়ে নিয়েছিল লাখ লাখ সস্তা প্রাণ। পৃথিবীর প্রতিটি দেশ নিজেকে শান্তিপ্রিয় বলে দাবি করলেও সকলেই কয়েকশো কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখে। কেন প্রশ্ন করলে পাল্টা উত্তর আসে আক্রমণের জন্য প্রস্তুত থাকার জন্যই নাকি এই আয়োজন। শান্তিপ্রিয়দের আক্রমণের স্ট্রাটিজি তাদের শান্তিপ্রিয় সত্ত্বার প্রতিও একটি থ্রেট নয় কি? সবাই শান্তিপ্রিয় হলে আক্রমণই বা করবে কেন কেউ? এত অনাস্থাই বা কেন? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার ৭৪ বছর পরেও ভারত-পাক, ভারত-চীন সীমান্তে যুদ্ধ লাগে প্রতিদিন। প্যান ইসলামিক আদর্শে বিশ্বাসী জঙ্গী সংগঠনগুলো যুদ্ধ ঘোষণা করছে প্রতি নিয়ত। উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা তোমায় আমায় ধর্মে ভেঙে যুদ্ধ লাগাতে চাইছে প্রতি পলকে। গোটা পৃথিবীর সাধারণ জনগণ কি যুদ্ধ লাগায়? নাকি রাষ্ট্রের চাবি যাদের পকেটে তারা যুদ্ধ লাগায়? আর মরেই বা কারা এই দুই দলের মধ্যে?  গোটা পৃথিবীটা নাগাসাকি বা গুজরাট বা ইরাক বা কাশ্মীর হয়ে যাওয়া আগে চলো সজোরে একটা ‘না’ বলি। আচ্ছা? কচিকচি নরম হাত দুটোয় কোনটা ভালো মানায়? এ কে ফর্টি সেভেন না তলোয়ার না একগোছা ফুল?