EXCLUSIVE NEWS

‘জয় বাংলা’ গানে ভারত-বাংলাদেশের পতাকা ব্যবহার, ত্রিপুরায় শিল্পীকে ‘বাংলাদেশী’ তকমা!

 

একুশে ফেব্রুয়ারী দিনটিকে স্মরণে রেখে ত্রিপুরার একটি ইউটিউব চ্যানেলের তরফে একটি গান রিলিজ করা হয়। বাঙালি জাতিসত্ত্বা নিয়ে তৈরি গানটির নাম ‘জয় বাংলা’ এবং এটি বাংলাদেশের একটি গানের রিমেক। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য ‘ফানহোলিক ছোকরে’ নামের ওই ইউটিউব চ্যানেলের শিল্পীরা মূলতঃ গানের রিমেক করে ভিডিও প্রকাশ করেন। ‘জয় বাংলা’ গানটিতে তারা ভারত এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ব্যবহার করেন। এই নিয়েই শুরু হয় ফেসবুক ট্রোলিং। কেউ ‘বাংলাদেশী’ বলে দাগিয়ে দিচ্ছেন তো কেউ আবার সরাসরি বাংলাদেশে গিয়ে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। কেউ আবার চ্যানেল বন্ধ করিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন। নেটিজেনদের অনেকেই এই সঙ্কীর্ণ উগ্র জাতিয়তাবাদী মানসিকতার নিন্দায় সরব হয়েছেন। কারণ ভাষা আন্দোলনে বাংলাদেশের শহীদদের রক্তেই মিশেছে আসামের বরাক উপত্যকায় শহীদের রক্ত। কাজেই তারা মনে করছেন দুই দেশের পতাকা ব্যবহার সেখানে যুক্তিযুক্ত।

‘ফানহোলিক ছোকরে’র অন্যতম সদস্য এবং গানটির লেখক সৈকত সরকারের সঙ্গে কথা বলল ‘এক্সক্লুসিভ অধিরথ’। তিনি জানান, গানটিতে বাঙালির বাংলা নিয়ে আবেগ, বাঙালির মনীষী এবং গর্বের ইতিহাসের কথাই বলা হয়েছে। এই গানটি কোনওভাবেই কোনও প্রকারের রাজনৈতিক, সাংগঠনিক, বিভেদকামী অথবা উস্কানি মূলক বিষয়কে সমর্থন করেনা। তিনি আরও বলেন, “যেহেতু সারা বিশ্বে মধ্যে ভারত এবং বাংলাদেশে বাঙালির বসবাস বেশি, তাই এর প্রতীকী হিসেবেই ভারত-বাংলাদেশের পতাকা ব্যবহার হয়েছে। তারা গানটিকে সমস্ত বাঙালি বীর শহীদদের স্মৃতিতে উৎসর্গ করেছেন। অবাঙালিরা ট্রোল করলেও মূলতঃ ত্রিপুরার বাঙালিরাই এই শিল্পীদের বাংলাদেশী বলছেন। এটাই অবাক করল, বক্তব্য সৈকতের। ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তার প্রশ্ন, কেন বাংলাদেশী বলে বৈষম্যমূলক আচরণ চলতেই থাকবে?

 

Promotion