EXCLUSIVE NEWS

পুজোর মুখে বাঁশবেড়িয়ার সংকল্প এভাবেই সবহারাদের পাশে থাকলো

 

শুরু হয়ে গিয়েছে দেবীপক্ষ। আর এই দেবীপক্ষের পুণ্য লগ্নে, এ বছরের মহালয়ার নতুন সকালটা একটু অন্য ভাবেই কাটালো ‘সংকল্প’। পাঁচ সদস্যের (দেবারতি,মঞ্জিল,সুপ্রিয়,মৃত্যুঞ্জয়,দেবযানী) এই তরুণ-তরুণীর দল মহালয়ার দিন হাজির হয়েছিল পথ শিশুদের পুজোর নতুন জামা দিয়ে সাহায্য করতে। হুগলির বাঁশবেড়িয়ার এই ‘সংকল্প’ শুধু বাচ্চাদেরই নয়, বড়োদেরও পাশে থাকলো।

রবীন্দ্র সদন এলাকার পাশ্ববর্তী অঞ্চলে গোল মন্দির এলাকায় বহু ঘর হারানো মানুষের ভিড়। ভিক্ষা করেই তাদের দিন যায়, দিন আসে। সংকল্পের সদস্যরা নিয়েছিল সেই সব মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোর সংকল্প। দলটির অন্যতম সদস্যা দেবারতি গোস্বামী বলেন, “একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভবিষ্যতে তারা এমন আরও কাজ করবেন।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান, “ইচ্ছে থাকলেই মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়। শুধু তাদের কাছে পৌঁছনোর রাস্তাটি জানতে হয়।” সংকল্পের সদস্য ছাড়াও তিনি বেশ কিছু মানুষের নাম বলেন (কিংশুক, সহেলী, শুভঙ্কর, নীলাঞ্জন, সীতা দি, বীণা পিসি, প্রিন্স দাস, রোহিত চক্রবর্তী, শুভঙ্কর দাস, সুস্মিতা বিশ্বাস, শুভদীপ নাথ, রেবান্তা ঘোষ, ঋষিকেশ বিশ্বাস)। তাদের আর্থিক এবং অন্যান্য সাহায্য না পেলে তাদের এই স্বপ্নপূরণ হতো না।” দলের বাকি সদস্যরা জানান, মহালয়ার দিন সহায় সম্বলহীন মানুষদের মুখে এভাবে হাসি ফোটাতে পেরে তারা খুশি।

Promotion