Notice: Undefined index: status in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/plugins/easy-facebook-likebox/easy-facebook-likebox.php on line 69

Warning: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/themes/herald/functions.php on line 73
এথিনিয়া – নৈহাটির এক চেনা ছন্দ - Exclusive Adhirath
মেঘে ঢাকা তারা

এথিনিয়া – নৈহাটির এক চেনা ছন্দ

দেবস্মিতা, অঙ্কুর, ঋষভী, ইপ্সিতা, নবনীতা, তানিয়া, দেবলীনা, মধুবন, স্বরজা, প্রিয়া…নামতা পড়ার মতো করে এতক্ষণ ধরে এদের নাম পড়ে যাচ্ছি। কারা এরা? এরাই হলেন নৈহাটির এথিনিয়া, যাদের জীবনের সঙ্গে নাচের দূরত্ব আসলে জিরো। এথিনিয়া আমাদের কী জানালেন, আসুন সেটাই দেখি।

এথিনিয়া নাম কেন?

এই নামের পিছনে খুব একটা জটিল কারণ আছে এমনটা নয়। গ্রীকদের শিল্পকলা এবং যুদ্ধের দেবী ছিলেন এথিনা। সেখান থেকেই আমরা এথিনিয়া নামটি নিয়েছি শুধুমাত্র।

আপনাদের নাচের শুরুটা ঠিক কীভাবে?

একটা সময় আমরা সকলেই অন্যান্য দলে কাজ করতাম। এখনও অনেকেই সেটা করি। ২০১৪ সালে কয়েকজন মিলে একটি নিজস্ব দলের কথা ভাবি। কারণ নিজেদের একটা জায়গা থাকাটা কোথাও গিয়ে জরুরী মনে হয়েছিল। সেই সময়ে আমরা অর্থাৎ দেবস্মিতা, অঙ্কুর, সোমালী, দীপশিখা এবং আরও অনেকে মিলে এথিনিয়া তৈরি করি। এদের মধ্যে অঙ্কুর এবং দেবস্মিতা  বাকিদের নিয়ে একসঙ্গে কাজ করছে। আসলে চারপাশে অনেককেই গতানুগতিক কাজ করতে দেখছি আমরা অনেক দিন ধরেই। তাহলে অন্য রকমের কাজ করতে কী দোষ? এই ভাবনা থেকেই আমাদের শুরু।

কী কী ধারার নাচ মূলতঃ আপনারা করে থাকেন?

ক্লাসিক্যাল, ওয়েস্টার্ন, কনটেম্পোরারি ধারার কাজ করেছি। লোকনৃত্য এখনও করি নি, তবে সেটা ভাবনায় রয়েছে। ছৌ নিয়ে কাজ করারও ইচ্ছে রয়েছে। কালারিপাই একটি মার্শাল আর্ট ঘেঁষা নাচ, সেটিও আমরা করেছি।

এখনও পর্যন্ত কী কী উল্লেখযোগ্য কাজ আপনারা করেছেন?

২০১৬ সালে নৈহাটি উৎসবে সুফি নৃত্য করি। ওই বছরই দুর্গাপুজোয় করেছিলাম ‘বাজলো তোমার আলোর বেণু’ বলে একটি প্রোডাকশন। এরপরে ‘সাদা কালো আবছায়া’ বলে একটি রেট্রো করি। স্বর্ণযুগের গান নিয়ে এটি করা হয়েছিল। ‘একতাই সম্প্রীতি’ বলে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করেছি। রবীন্দ্রনাথের পাঁচটি নারীচরিত্র নিয়ে ‘রবি ও নারী’ নামে একটি প্রোডাকশন উপস্থাপন করি। চিত্রাঙ্গদা, চারুলতা, নন্দিনী, বিমলা এবং সুধা এই চরিত্রদের ফুটিয়ে তুলেছিলাম আমাদের ডান্স থিয়েটারে। আমাদের ‘মাতৃভূমি’ প্রোডাকশনে ছিলেন তিন চরিত্র। প্রথমজন হলেন মহাভারতের দ্রৌপদী। ছিলেন মণিপুরের থাংজাম মনোরমা যাকে সেনাবাহিনী ধর্ষণ করে যোনিতে গুলি করে রিভলবারের ছয়টি বুলেট ভরে দেয়। আর ছিলেন ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী শিক্ষিকা সোনি সোরি। এনাকে মাওবাদী সন্দেহে জেলে আটকে রেখে গনধর্ষণ করে তাঁর যোনিতে পাথর ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রমাণ লোপাটের জন্য। এদের ওপর যে শারীরিক অত্যাচার এবং তারপর তাদের রুখে দাঁড়ানোটাও দেখানো হয়েছিল। ঋতুপর্ণ ঘোষের সিনেমার গানগুলির সঙ্গে রাধার যে বিরহের জায়গাটি, সেটি তুলে ধরা হয়েছিল অন্য একটি উপস্থাপনায়। আমাদের শেষ কাজটি ছিল সত্যজিত রায়ের চলচ্চিত্রের গান নিয়ে একটি উপস্থাপনা।

কেন মনে হল নৃত্যের মাধ্যমে আপনাদের বার্তা সমাজের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন?

সমাজে অনেক মানুষ আছেন নিজের মতো করে প্রতিবাদ করেন। আমাদের প্রতিবাদের জায়গা হল মঞ্চ এবং মাধ্যম হল নৃত্য। তাই আমরা সেটাই করে থাকি। তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্যই যে নাচটা করি সেটাও না। ভালোবেসেও নাচটা করা। আমরা নাচের মাধ্যমে আমাদের ভাবনাটা মানুষকে সহজভাবে বোঝাতে পারবো বলেই এই পথ বেছে নেওয়া।

আপনাদের এই পথচলায় কোনও ভালো বা খারাপ অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা জানান।

আমরা যেখানেই গিয়েছি মানুষের কাছে ভালোবাসাই পেয়েছি। আমাদের নিজেদের মধ্যে একটা খুব ভালো বন্ধন রয়েছে। তাঁর ফলে বাইরের মানুষও এসে খুব সহজে আমাদের সঙ্গে মিশে যান। কাজেই সেরকম কোনও খারাপ অভিজ্ঞতা হয় নি।

নৃত্য আর দর্শন কি হাত ধরাধরি করে চলে? আপনাদের কী মত?

অবশ্যই, সেটাই স্বাভাবিক। আমাদের নিজেদের প্রোডাকশনগুলো সৃষ্টি করার সময়ই আমরা সেটা টের পাই। তবে দর্শন তো বই পড়ে তৈরি করি না। চারপাশে যে ঘটনা ঘটে সেটাই আমরা আমাদের কাজে তুলে ধরি।

এথিনিয়ার নাচে থিয়েটারের প্রভাব কতোটা?

এথিনিয়ার নাচে থিয়েটারের প্রভাব অনেকটাই। কারণ আমাদের মধ্যে অনেকেই থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। তাই নাচ করতে গেলে থিয়েটারটা চলেই আসে। আর নৃত্যের সঙ্গে অভিনয়ের একটা বড় সম্পর্ক রয়েছে। মনের ভাব প্রকাশ করা অভিনয় দিয়ে। কিন্তু যখনই সেই ভাব প্রকাশ নির্দিষ্ট তালের মধ্যে ফেলি তখনই সেটা নাচ হয়ে যায়। এই ধারণা ভরত মুনির নাট্যশাস্ত্রতেও রয়েছে।

গ্রাম ও শহর দু’জায়গাতেই তোমরা পারফর্ম করতে যাও। কি ফারাক চোখে পড়ে?

রিয়্যালিটি শো আসার পরে গ্রাম ও শহরের মানুষের মানসিকতার ফারাক অনেকটাই মুছে গেছে। একটা গ্রামে গিয়ে যদি ‘ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে’ নাচ দেখাই তারা নেবেন না। কিন্তু সেখানেই আমি যদি কনটেম্পোরারি ডান্স করি তাহলে সেটা তারা দেখবেন।

‘এক্সক্লুসিভ অধিরথের’ এক্সক্লুসিভ দর্শকদের জন্য এক্সক্লুসিভ ছন্দের কিছু নিদর্শন

একজন নৃত্য শিল্পীর ভবিষ্যৎ কী?

কেউ যদি নাচের সঙ্গে ঠিকঠাক লেগে থাকতে পারে তাহলে নিশ্চয়ই ভবিষ্যৎ আছে। সবার আগে যেটা দরকার সেটা হল, নিজের নাচটাকে ভালোবাসতে হবে। থিয়েটার, গান, নাচ সব নিয়েই এগোনো যায় যদি চেষ্টা থাকে। এ ক্ষেত্রে ভেঙে পড়লে চলবে না।

নাচকে ঘিরে আপনাদের উপলব্ধি কী?

অনেক বয়স্ক মানুষের মুখ থেকে একটা কথা শুনি ডান্স মানেই জিমন্যাস্টিক। কিন্তু আমাদের জীবনে ক্লাসিক্যাল ডান্সের বড় ভূমিকা আছে। সেখানে দাঁড়িয়ে আমাদের উচিৎ আমরা বাকি ফর্মগুলোও করবো। অনেকেই বলেন দেশীয় ফর্মগুলোর বদলে বিদেশী ফর্ম নিয়ে মাতামাতির কী দরকার? সেক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য, বিদেশী-স্বদেশী এরকম কোনও ভেদাভেদ আমরা অন্ততঃ করি না। অনেক বিদেশী আছেন যাদের মাদার ফর্ম হল ভারতীয় ক্লাসিক্যাল ডান্স। সমাজে যদি নাচের ভূমিকাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় তাহলে আমাদের আপডেটেড হতে হবে। তার মানে এটা কখনোই বলছি না নিজের মাদার ফর্মকে সরিয়ে আপডেটেড হতে হবে। সবটাকে নিয়েই এগোতে হবে।

কোন কোন নৃত্যশিল্পীর কাজ ও জীবনবোধ আপনাদের আকৃষ্ট করে?

অবশ্যই সুধা চন্দন। এই মানুষটির ছোটবেলায় দুর্ঘটনার ফলে পা কেটে বাদ দিতে হয়। তারপর তিনি কাঠের পায়ের সাহায্যে নাচ চালিয়ে নিয়ে যান। অলকানন্দা রায়ও আমাদের অনুপ্রেরণা। উনি বলেছিলেন, যদি মনে করো কোনও কিছু পাওয়ার জন্য নাচ করছো, তাহলে সেটা ভুল। কারণ উনি নিজে জেলের কয়েদীদের নিয়ে ‘বাল্মিকী প্রতিভা’ প্রোডাকশন নামিয়েছেন। ওনার সঙ্গে কথা বলে আমরা অনুভব করেছি যে উনি সেই কয়েদীদের শুধু নাচ শেখাতেই যান নি। সেই মানুষগুলো ওনার কাছে সন্তানসম হয়ে গিয়েছিলেন।

নৃত্যশিল্পী হিসেবে আপনারা কী কী কৌশল অবলম্বন করেন?

আমাদের একে অপরের সঙ্গে ইন্টার-কানেকশন এতো ভালো যে আলাদা করে আমাদের কোনও কৌশলের দরকারই পড়ে না। অনেক সময় এটা হয়, আমরা মিউজিকের সঙ্গে একটা স্টেপ করতে গেলে আরেকজন বলে, ‘আরে আমিও তো এটাই ভাবছিলাম’।

বর্তমানে আয়োজকরা কি নাচকে ভালোবেসে অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত করেন? নাকি এটা স্রেফ বিনোদনের দায়েই করেন?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আয়োজকরা নাচকে সিরিয়াসলি নিয়ে থাকেন। আবার অনেকেই দর্শক বেশি হবে এটা ভেবেই অনুষ্ঠানসূচীতে এথিনিয়ার ডান্সকে ঢোকান। আয়োজকের নিজস্ব মানসিকতা কী তার ওপর নির্ভর করবে তিনি ভালবেসে নাচকে অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত করেছেন নাকি বিনোদনের দায়ে করেছেন। আমরা তো আমাদের কাজটুকু করি।

নাচ কি গানের আক্ষরিক অর্থ ধরে হওয়া উচিৎ? নাকি ভাবগত অর্থ ধরে হওয়া উচিৎ?

অনেক সময় আমাদের গানের লিরিক্স ধরে যেতে হয়। কিন্তু নাচটা হল মূলতঃ ভাব প্রকাশ। গান যেহেতু একটি শ্রুতিমধুর ব্যাপার, তাই গানকে অবলম্বন করে আমরা নাচের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ করছি।

নাচের রিয়্যালিটি শো কি শিল্পী তৈরি করে, নাকি শুধুমাত্র তারকা তৈরি করে?

কোনও ক্ষেত্রে শিল্পীও তৈরি করে। রিয়্যালিটি শো-তে সবাই দেখে কী সুন্দর নাচছে। কিন্তু ব্যাকস্টেজে যে মারাত্মক পরিশ্রম হয় তা সবাই জানেন না। ব্যাকস্টেজের কাজে আমাকেও যেতে হয়েছিল। যদিও শিল্পী হওয়ার যোগ্যতা থাকলে তা রিয়্যালিটি শো-তে না গিয়েও হওয়া যায়। কিন্তু রিয়্যালিটি শো নাচের ক্ষেত্রে যে পরিশ্রম করায় তা আসলে ভিতটা শক্ত করে দেয়।

নির্দিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলের ট্যাগ না থাকায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে নৃত্য শিল্পীরা বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছেন। এ ব্যাপারে আপনি কি বলছেন?

হ্যাঁ, এটা হয়। আমার যদি স্টারের ট্যাগটা না থাকে তাহলে আমি গুরুত্ব কম পাবো। আমরাও এটার মুখোমুখি হয়েছি। এই বৈষম্য থাকা উচিৎ নয়। তাও এটা থাকে, এটা হয়তো কোনোদিন পরিবর্তন করা যাবেও না।

নতুন যারা নাচ শিখতে আসছেন তাদের কী বলবেন?

তাদের একটাই কথা বলবো। ভালো করে নাচ করাটা বড় ব্যাপার। তবে তাঁর আগে ডান্সটাকে ভালবাসতে হবে, সময় দিতে হবে। প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে, আর যদি পরিশ্রম করতে পারা যায় তাহলে নিশ্চয়ই তাঁর ফল মিলবে।

অতিরিক্ত প্রযুক্তি নির্ভরতা কি নাচের ক্ষতি করছে?

না সেটা করছে না। কারণ প্রযুক্তিকে যতোটা আমরা কাজে লাগাতে পারবো, ততোই আমার স্বপ্নটাকে সাজাতে পারবো। কারণ দর্শককে আমি যখন নাচ দেখাচ্ছি তখন আসলে তাদের আমি আমার স্বপ্নটা দেখাচ্ছি। তাঁর মানে এটা নয় যে ডান্সটাকে বাদ দিয়ে আমরা বাদ বাকি জিনিসকে গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে ভাবনাটা নিয়ে আমি যদি সবার কাছে আমার মতো করেই পৌঁছতে পারি, তাহলে সেটা কেন করবো না?

নাচকে ঘিরে চারপাশের এতো জাঁকজমক, জৌলুস; এগুলোর মাঝে কি নাচ তার মাধুর্য হারাচ্ছে?

এটা অনেক ক্ষেত্রেই ঠিক। আগে যেমন নাচকেই শুধু গুরুত্ব দেওয়া হতো। এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে মেক আপ, লাইট, প্রপস, ফর্মেশন এগুলোকে। বর্তমান এবং আগামী প্রজন্ম যারা, তাদের নাচ শেখার মধ্যে একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে। এই কারণেই হয়তো আগেকার দিনে ডান্স নিয়ে যারা এগিয়েছেন তারা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছতে পেরেছেন। যেটা পরবর্তী প্রজন্ম পারছে না। আমরা এটার তীব্র বিরোধিতা করছি। আমি নাচের মাধ্যমে লোককে কিছু বোঝাতে এসেছি। তার জন্য যে ন্যূনতম প্রপস বা মেক-আপ দরকার সেটুকুই ব্যাবহার করবো। হয়তো এতো বড় একটা গাউন আমি নাচের ড্রেস হিসেবে পরলাম, দেখা গেল যে সেটা পরে আমি নড়তেই পারছি না। আমি কী স্টেপ করছি সেটাই কেউ দেখতে পারলো না। আর তাছাড়া লোকে তো আমার ড্রেস দেখতে আসে নি, তারা এসেছে আমার নাচ দেখতে।

শিল্পী হিসেবে সমাজের প্রতি কী দায়বদ্ধতা রয়েছে?

সমাজে যে নাচের পরিস্থিতি আছে তাতে সবার আরও ভালো কাজ করা দরকার। আমরা চাই প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা চিন্তা ভাবনা করুক। কারণ মানুষ এক সামাজিক জীব। তাঁর সমাজের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা থাকে। আমরা সেই দায়বদ্ধতা শিল্পের মাধ্যমে প্রকাশ করছি।

বাংলায় নাচের বর্তমান পরিস্থিতি কী রকম?

কিছু কিছু জায়গায় দেখি পুরনো ধাঁচের মধ্যে রেখে নাচটা হয়। তবে বাংলায় ডান্স থিয়েটারও হচ্ছে। এই মুহূর্তে বাংলায় নাচ একটা ভালো জায়গায় রয়েছে। লোক নৃত্যগুলো হারিয়ে যাচ্ছিল। লোকশিল্পীদের আর্থিক সঙ্কট কাটানোর জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছেন।

নৃত্যশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে গেলে প্রতিভাটাই কি যথেষ্ট?

একেবারেই না। আমার কতোটা প্রতিভা আছে, আমি কতোটা ভালো নাচি সেটাই যথেষ্ট নয়। যতো আমার পাবলিক রিলেশন থাকবে, সোর্স থাকবে ততোই আমার সুবিধা। অর্থনৈতিক ভাবে দাঁড়াতে না পারলে কোনও ভাবেই এগোতে পারবো না।

নাচকে ঘিরে এথিনিয়ার স্বপ্ন কী?

আমরা চাই যেই ফর্মগুলো নিয়ে কাজ খুবই বিরল, সেগুলো পরিচিত ফর্মের সঙ্গে মিশিয়ে কীভাবে একটা ভালো প্রোডাকশন হতে পারে। অনেকেই আছেন অনেক ডান্স ফর্মের নামই শোনেন নি। ময়ূরভঞ্জ ছৌ কী তারা জানেন না, তারা জানেন না কালারিপাই কী। তাই সমকালীন নাচের মাধ্যমে আমরা সেগুলো মানুষকে জানাতে চাই। যতদিন এথিনিয়া থাকবে ততদিন সে ভেবে যাবে, নাচকে ভেঙে কতরকম ফর্মে তা করা যায়।

 

 

 

 

Promotion