Notice: Undefined index: status in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/plugins/easy-facebook-likebox/easy-facebook-likebox.php on line 69

Warning: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/themes/herald/functions.php on line 73
অন্বয় - চরিত্রকে বহন নয়, বাহন করা জরুরী - Exclusive Adhirath
মেঘে ঢাকা তারা

অন্বয় – চরিত্রকে বহন নয়, বাহন করা জরুরী

নাটক এবং শর্ট ফিল্ম আপনি এই দুই মাধ্যমেই কাজ করেছেন। নিজেকে সব থেকে বেশি খুঁজে পান কোন মাধ্যমে?

অবশ্যই থিয়েটার, নাটক আমার আয়না।

অভিনয়ের সঙ্গে আপনার রিলেশনশিপ শুরু কী করে হল?

উ- এটা খুব অদ্ভুত প্রশ্ন। খুব ছোটোবেলায় ক্লাস ফোরে নাগাদ একবার কোনো একটি নাটকে কালী ঠাকুরের চরিত্রে অভিনয় করি।সেই প্রথম অভিনয়, সেই প্রথম মঞ্চ। বাগবাজার মায়ের বাড়িতে নাটকটি হয়েছিলো। তারপর ক্লাস সেভেন থেকে প্রায়ই পাড়ার অস্থায়ী মঞ্চ ও স্কুলে নাটক করেছি। ২০১১ থেকে পিয়াসী ছন্দোদয় ফাইন-আর্টস একাডেমি নামক একটি দলে, শ্রী সুপ্রিয় মিত্রর তত্বাবধানে কাজ শেখার শুরু হয় আমার। তারপরে জীবনের একটা পর্যায়ে (২০১৪ সাল) এসে মঞ্চ ছেড়ে পথনাটক করা শুরু করি মূলত নিজস্ব উদ্যোগেই। সঙ্গে অনেক বন্ধু-বান্ধবকে পেয়েছিলাম। মূলতঃ বলবো আমার অসম্ভব অনুপ্রেরণা তৈরী হয় এক দিদিকে(মমতা ব্যানার্জি নন) দেখে। সেই দিদির নাম রূপকথা বসু। আমি বেসিক্যালি অশিক্ষিত, উচ্চমাধ্যমিক পাশ। তার পর আর পড়িনি কারণ পড়াশোনা করতে আমার ভালো লাগতো না কোনোকালেই। যদি আমি কিছু কাজ সামান্যতম পারি; সেটা অভিনয়। তাই প্রথাগত শিক্ষায় আমি লাথি মেরেছিলাম এবং অভিনেতা হিসেবে নিজের লড়াই এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা আমার তখন থেকেই শুরু।

এই সময়ে একজন অভিনেতা/ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে গেলে প্রতিভাটাই কি যথেষ্ট? 

প্রতিভা কারোর থাকে না, ইচ্ছে আর চেষ্টা থাকে, আর থাকে প্রতিজ্ঞা(নিজের প্রতি)। সমস্তটা নিয়েই একটা বোধকে বা তথাকথিত প্রতিভাকে কাল্টিভেট করতে হয় বলেই আমার বিশ্বাস। এছাড়াও অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। পারিবারিক সমর্থন, নিজস্ব দৃঢ়তা, অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং আর একটা বিষয়। যেটা খারাপ হলেও সত্যি। গায়ক নচিকেতা চক্রবর্তীর ধার করে বললে; ” মামা-কাকা যার আছে;তারাই ‘কুলীন’ হয়”। এটা ইন্ডাস্ট্রির রুঢ়তম সত্য বর্তমানে। আমি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে, আমার বাবা-মা কেউ সেলেব নন। ছেলে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে অভিনয় করছে এটাতে প্রথমদিকে তারাও ওই “লজ্জায় মাটিতে মুখ লুকোতেন “। তবে বর্তমানে তারাও আমার লড়াইয়ের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং বোঝেন আমি কী চাই। তবে তাদের প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ মানসিক এবং অর্থনৈতিক সমর্থন না থাকলে আমি এই লড়াই চালিয়ে যেতেই পারতাম না। এছাড়াও আমার সবচেয়ে কাছের মানুষ অন্বেষা। যে আমার সবটা সহ্য করে এবং আমায় ভীষণ-রকম জড়িয়ে রাখে, তার পাশে থাকাটাও আমার আরেকটি অন্যতম সহায়ক। আমার মনে হয় প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো; ‘প্রতিষ্ঠা পেতে হবে’র ভাবনাটিকে প্রশ্রয় না দিয়ে প্রতিনিয়ত নিজের কাজ আরো ভালো করার চেষ্টা করে যাওয়া।

এখনও পর্যন্ত কী কী উল্লেখযোগ্য কাজ করেছো?

যদি থিয়েটার বলি;পথ ও মঞ্চ মিলিয়ে মোট ২৫টি নাটকে আমি এখনো অবধি অভিনয় করেছি। আমার কাছে সবথেকে উল্লেখযোগ্য কাজ হলো বোধিসত্ত্ব মজুমদার(আমারই এক অসম্ভব পরিশ্রমী সহযোদ্ধা) পরিচালিত; দমদম রক্তকরবী প্রযোজিত মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের নাটক ‘নীল রঙের ঘোড়া'(মঞ্চস্থ হয় ‘THE BLUE HORSE’ নামে)। আমি এ নাটকে ‘প্রৌঢ়’ চরিত্রে অভিনয় করি। শ্রী সুপ্রিয় মিত্রের রচিত ও নির্দেশিত নাটক ‘ অসময়’তে আমি ‘মিতুন’ নামের একটি মূক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলের চরিত্র করতাম। এছাড়া ‘আদাব’ নামের পথনাটকটি আমি করি। প্রায় ২০ টির কাছাকাছি শো আমি করেছি ওই নাটকের এবং সামনে আরও শো আছে। নৈহাটির হুকুমচাঁদ জুটমিলে যখন শ্রমিক আন্দোলন চলছিলো; সে সময়ে সেখানে শ্রমিকদের মহল্লায় গিয়ে কৌশিক মুখার্জির পরিচালনায় সফদর হাশমি’র ‘হল্লা বোল’ নাটকে অভিনয় করি ‘যোগীন্দর’ চরিত্রে। তার আগে ভিক্টোরিয়া জুটমিল, তেলেনিপাড়া জুটমিল সংলগ্ন অঞ্চলে ‘লক্ষী’ নামক একটি নাটক করেছিলাম যেটির লেখা ও পরিচালনা আমার নিজেরই। এগুলো আমার কাছে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, তবে যদি ক্রমানুসারে সাজাতে বলা হয় তবে ১) THE BLUE HORSE, ২) অসময় এবং ৩) আদাব। এছাড়াও প্রতিটা নাটকই উল্লেখযোগ্য; কারণ প্রতিটাই আমায় নিজেকে চিনিয়েছে। যদি ছবির কথায় আসি; তবে আমি এ যাবৎ ১২ টি কাজ করেছি। যার মধ্যে ক্রমানুসারে সাজাতে হলে আমি বলবো ১) তবু একজন (আমারই পরিচালনা ও অভিনয়, রনজয়ের চিত্রনাট্য), ২) আর একটা কলকাতায় (বোধিসত্ব মজুমদারের পরিচালনা ও আমার চিত্রনাট্য/অভিনয়) এবং ৩) সিনপসিস ( প্রতীম বিশ্বাস নামের এক অনুজের পরিচালনা, আমার অভিনয় এবং আমার প্রথমতম অন-স্ক্রীন কাজ)। এছাড়াও আমার নিজের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় প্রথমতম ছবি ‘অব্যক্ত’। বোধিসত্ব মজুমদার পরিচালিত ‘যতোটা যেতে চাওয়া’, সাগ্নিক নামে আমার এক বন্ধুর ভাবনা, আমার চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ‘বৃত্ত’ এবং আমার সর্বশেষ পরিচালিত ছবি ‘চাকা’ এগুলিও আমার কাছে বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া সুপ্রতীম ব্যানার্জির পরিচালনায় ‘রাতের ভৈরবী’ একটি ফিচার যার কাজ এখনও চলছে।

কোন কোন নাট্য ব্যাক্তিত্বের নাটক তোমাকে প্রভাবিত করে? কাদের অভিনয় ভালো লাগে?

মোহিত চট্টোপাধ্যায় আমার সবচেয়ে প্রিয় নাট্যকার। এছাড়াও তীর্থঙ্কর চন্দ, চন্দন সেন প্রমুখ আমার অত্যন্ত প্রিয়। কৌশিক কর, সৌরভ পালোধী, শ্যামল চক্রবর্তী এনারা আমার অত্যন্ত প্রিয় পরিচালক। অভিনয়ের কথা বললে; আমার প্রিয়তম নাট্যাভিনেতা সঞ্জীব সরকার। এছাড়াও কৌশিক কর, গম্ভীরা ভট্টাচার্য্য, শুভাশিস খামারু, সৌরভ পালোধী আমার অসম্ভব প্রিয় অভিনেতা। অভিনেত্রীদের মধ্যে বললে আমি দুজন মানুষের নাম বলবো। সঞ্জিতা মুখার্জি ও বিন্দিয়া ঘোষ। এর মধ্যে সঞ্জিতা দি’র একটি নাটক ‘ত্রিনয়ন’ সাম্প্রতিক কালে অনবদ্য একটি বার্তাবাহক হয়ে দাঁড়িয়েছে।  সম্ভব হলে সেটার সম্বন্ধে পরে কখনো এই ওয়েব মিডিয়ার পর্দায় লিখতে চাই। এদের বাদ দিয়ে বললে আর যাকে ভীষণ পছন্দ করি, তার নাম অন্বয়। প্রিয় নাটকগুলির মধ্যে ‘হন্তারক’,’ত্রিনয়ন’, ‘শেকল ছেঁড়া হাতের খোঁজে’, ‘ একটি উত্তর-আধুনিক সামাজিক পালা’, ‘ক্যাপ্টেন হুররা’, ‘অটো’,  ‘জাহানারা জাহানারা’ ইত্যাদি। আরও অনেক নাটক আছে যা আমার বিশেষ পছন্দের।

টেকনিক্যালি অভিনয় করে বেরিয়ে যাওয়া, নাকি চরিত্রের মধ্যে প্রবেশ করে চরিত্র হয়ে ওঠার চেষ্টা করা; কোনটি একজন অভিনেতা/ অভিনেত্রীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিৎ?

আমি মনে করি দুটোর কোনোটাই সম্পূর্ণ সম্ভব নয়,যদি আমি শুধুই টেকনিক্যালি অভিনয় করি ;তখন দর্শকদের কোনোভাবেই চরিত্রটির সাথে একাত্ম করে তোলা সম্ভব হবে না আমার পক্ষে। যদি আমি চরিত্রটি হয়েই যাই তবে আমার আলো, আবহ, মঞ্চসজ্জা, সহ-অভিনেতা/অভিনেত্রী এদের সাথে তাল মেলানো সম্ভব হবে না। কারণ তখন আমি আর অন্বয় নেই, আমি ‘ প্রৌঢ় ‘ বা ‘ পুলিশ মামা ‘ বা ‘ মিতুন ‘ হয়ে উঠেছি। তাই আমি মনে করি; ঠিক দুটো বিষয়ের মাঝামাঝি একটি অবস্থান; যেখানে একজন অভিনেতা তার চরিত্রের প্রতি অসম্ভব সৎ থাকার পাশাপাশি টেকনিক্যাল দিকগুলো নিয়েও ভীষণ সজাগ সেটাই জরুরী। চরিত্রকে বহন নয়, বাহন করা জরুরী।

আগামী কোন  সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় দিন গুনছে?

সুপ্রতীম ব্যানার্জির পরিচালনায় ‘ রাতের ভৈরবী ‘ (২০১৯)

মানুষ যেমন বহুমূল্য টাকার টিকিট কেটে মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে যাচ্ছে, ঠিক তেমনিই বর্তমানে কলকাতার বেশ কিছু নাট্যদল দামি টিকিট করেও দর্শক টানার সাহস দেখিয়েছে। এ ব্যাপারটি কীভাবে ব্যাখ্যা করতে চান?

যারা বলেন ” নাটক আর আজকাল কেউ দেখে না ” তাদের মুখে বড়ো থাপ্পড় এটা। তবে ব্রাত্য বসুর ‘মীরজাফর’ হাউসফুল হওয়াকে এর মধ্যে ধরবেন না দয়া করে। পেছনে হাওয়াই চটি আছে এক্ষেত্রে। তবে টিকিট প্রসঙ্গে বলতে গেলে আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করবো ‘থিয়েটার ফর্মেশন প্রবর্তক’ দলটির কথা। এরা কোনো টিকিটের দাম নির্দিষ্ট রাখেন না,” দর্শক যা দিতে পারবেন, সে মূল্যই দেবেন।” এটাই এদের বক্তব্য, যা আমার সবথেকে সঠিক বলে মনে হয়।

মালদা GKCIET-এর ছাত্রছাত্রীরা ৬ বছর কেন্দ্রীয় সরকারের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়াশুনা করে প্রতারণার শিকার। তাদের সার্টিফিকেটটিই জাল এবং তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে। আজ দীর্ঘদিন ধরে তারা তাদের ন্যায্য দাবিতে লড়াই চালাচ্ছেন। এ ব্যাপারে আপনি কী বলছেন?

আমাদের দুটো সরকারই (রাজ্য ও কেন্দ্র) হিটলাররা চালান। মোদী-মমতা দুটোই তাই। যেখানে হোস্টেলের ঘর পাওয়ার জন্যও পড়ুয়াদের অনশন করতে হয়, রেজাল্টের জন্যও আন্দোলন করতে হয়। সেখানে কীভাবে বদল আসবে আমার সত্যিই জানা নেই, তবে যা হচ্ছে তা ঘৃণ্য, নোংরা এবং বদলটা জরুরী। এই বদলের প্রক্রিয়ায় সবাইকে একজোট হয়ে জঞ্জাল তোলার মতো করে শুয়োরের বাচ্চা রাষ্ট্রনেতাদের তুলে ফেলে দিতে হবে এটুকু জানি/বুঝি।

আপনার বানানো শর্ট ফিল্মে মাওবাদীদের প্রমোট করেন?

মাওবাদী খায় না মাথায় মাখে তাই জানেন না অর্ধেক লোক। তারা জানে মাওবাদী=আইসিস। কারণ তাদের তাই জানানো হয়েছে। দোষ মিডিয়ারই মূলত। আমাদের তো বটেই, আগে ‘মাওবাদী’ বিষয়টি সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা তৈরী হোক আপনাদের। তারপর উত্তর নিজেরাই পাবেন। আর হ্যাঁ, যে ছবিটা নিয়ে আপনি কথা বলছেন তার নাম ‘চাকা’।  আপনাদের মিডিয়াতে তার রিভিউ পাবলিশ হয়েছে। ছবিটায় কোনো ‘ইজম’কে প্রোমোট করা হয়নি। কারণ তা করতে গেলে আগে বিষয়টা সঠিকভাবে জানতে হয়। আমার ‘মাওবাদ’ নিয়ে সেই পরিমাণ পড়াশোনা নেই, যাতে ‘মাওবাদকে প্রোমোট করা যায়। ছবিটায় আমি শুধু বোঝাতে চেয়েছি ‘মাও’ আসলে একটা স্বপ্ন, একটা লড়াইয়ের নাম, যার ব্যপ্তি বিশাল। আর কিছু সত্যিকে, শোষণ-অত্যাচার-মিথ্যাচার আর লড়াইয়ের কথাকে চোখের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছি।

আপনার ছবিতে রাস্তায় প্রকাশ্যে চুমু খাওয়াকে খুব ভালো জিনিস হিসেবে তুলে ধরেন?

অবশ্যই, প্রকাশ্যে পুড়িয়ে মারা, অ্যাসিড ছোঁড়া, ধর্ষণ এগুলোর বিপরীতে প্রেম একটা প্রতিস্পর্ধী শক্তি। আমি অবশ্যই খুব ভালো বিষয় হিসেবেই একে তুলে ধরি। আমার ‘আর একটা কলকাতায়’ ছবিটিও একথাই বলে। যেখানে রাস্তায় চুমু খেলে বা জড়িয়ে ধরলে পাল্টা মার খেতে হয়না নীতিপুলিশদের হাতে, সেই কলকাতার কথা বলি, স্বপ্ন দেখি আমি।

একজন শিল্পী হিসেবে সমাজের প্রতি কতোটা দায়িত্ববোধ রয়েছে?

দেখুন কতোটা রয়েছে, তা তো যারা আমার কাজ দেখছেন তারা বলবেন। কারণ তা আমার কাজে প্রতিফলিত হবে, তবে আমি মনে করি একজন শিল্পীর দায়িত্ব অন্যদের তুলনায় খানিকটা বেশীই হয়। তা পালন করার সর্বৈব চেষ্টা করি সর্বক্ষেত্রেই, জানিনা কতোটা পেরে উঠি, তবে চেষ্টা করি।

থিয়েটারের সঙ্গে আপনার জীবনের দূরত্ব কি শূন্য?

আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক শ্রী শুভাশিস খামারুর কয়েকটা লাইন বলবো, ” থিয়েটার মানে জেগে থাকা,থিয়েটার মানে বেঁচে থাকা, থিয়েটার মানে বুকের পাঁজরে, নতুন স্বপ্ন পুষে রাখা”, এটাই উত্তর।

অভিনয়কে ঘিরে আপনার স্বপ্ন কী?

অনেকটা লড়াই করে এই পৃথিবীটা বেছে নেওয়া আমার, সেই লড়াইটাকে সবসময় জারি রাখা। মানুষ যাতে আমার কাজ দেখেন, ভালোবাসেন, যাতে ভালো কাজ আরো করতে পারি, শিখতে পারি। সর্বোপরি, যাতে এমন একটা দিন আসে যেদিন অন্য কোনো একজন ছেলে/মেয়ে কলার তুলে বলতে পারে “আমি ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হবো না, অভিনয় করবো”। ” ছেলে/মেয়ে কী করে?” এর উত্তরে কোনো বাবা/মা একটুও সঙ্কোচ না করে বলতে পারে “ও অভিনয় করে”। একজন অভিনেতা/অভিনেত্রীকে যেন অভিনয় বেছে নেওয়ার জন্য ভর্ৎসিত হতে না হয়, সে যেন চিৎকার করে বলতে পারে “আমি অভিনয় করি।” সমাজের চোখের কালো কাপড়গুলো যেন ছিঁড়ে যায়।

সব শেষে রইলো অন্বয়ের সমালোচিত একটি শর্ট ফিল্মের লিংক…

 

Promotion