EXCLUSIVE NEWS

যাদবপুরে ঢুকলেই সুরঞ্জনকে মারার হুমকি বাম পড়ুয়াদের, কী জানালেন ফেটসুর সাধারণ সম্পাদক!

যাদবপুর কান্ডে থামার নামই নিচ্ছে না বিতর্ক। সুরঞ্জন সরকার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি’র সভাপতি এবং এবিভিপি’রই রাজ্য সহ-সম্পাদকও বটে। সেই সঙ্গে যাদবপুরে তিনি মাস কমের স্নাতকোত্তর বিভাগের ছাত্র। অভিযোগ গত কয়েক দিনে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের তরফে তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেই হুমকি শুধুমাত্র ফেসবুক ওয়াল বা পোস্টের কমেন্টেই সীমাবদ্ধ নেই। সুরঞ্জনকে ফোন করে ক্যাম্পাসে পা রাখলেই মেরে ফেলা হবে, এরকম ভয় দেখানো হয়েছে। সুরঞ্জন সরকার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ক্ষতিকর, তাই তাকে সাসপেন্ড করার জন্য কিছু পড়ুয়া উপাচার্যের কাছে চিঠিও দিয়েছেন বলে খবর। তবে এসব  উপেক্ষা করেই এই ছাত্র নেতা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে পা রাখতে দ্বিধা বোধ করছেন না। সুরঞ্জনের বক্তব্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের দাদার ক্যান্সার হয়েছে শুনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। যতোই বাধা আসুক, গর্বের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আমি সবসময় থাকবো।

যাদবপুর কান্ডের দিন এই ছবিটি ভাইরাল হয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কে

ইতিমধ্যেই আমাদের প্রতিক্রিয়া দিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেটসুর (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ছাত্র সংসদ) সাধারণ সম্পাদক অভীক। তিনি ‘এক্সক্লুসিভ অধিরথ’কে জানান, রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকতেই পারে। কিন্তু কোনওভাবেই মারার হুমকির পক্ষে তিনি নন। যদিও এর পাশাপাশি অভীক বলেন, যদি বাইরে থেকে ক্যাডার নিয়ে এসে বিশ্ববিদ্যালয়কে উত্তপ্ত করার চেষ্টা হয় তাহলে নিশ্চয়ই রুখে দাঁড়ানো হবে। ‘মারার হুমকি’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কে যে কাকে হুমকি দিচ্ছে তাই স্পষ্ট নয় বহু ক্ষেত্রেই। দেখা গিয়েছে, এ রাজ্যে বিজেপির নাম নিয়ে তৃণমূলও হুমকি দেয়, আবার বামপন্থীদের নাম নিয়ে বিজেপিও হুমকি দেয়।” হুমকির নাম দিয়ে অ্যাজেন্ডা করার চেষ্টাও করতে পারে এবিভিপি, এমনটিও জানান তিনি। হুমকি দেওয়ার বিপক্ষে থাকলেও পাশাপাশি এই বিষয়ে পারিপার্শ্বিক যুক্তিগুলিও ভেবে দেখার কথা বলেন অভীক।

Promotion