Notice: Undefined index: status in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/plugins/easy-facebook-likebox/easy-facebook-likebox.php on line 69

Warning: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/dailynew7/public_html/exclusiveadhirath.com/wp-content/themes/herald/functions.php on line 73
প্রমিথ গাঙ্গুলী - এক বহুমুখী প্রতিভার স্ফূরণ - Exclusive Adhirath
মেঘে ঢাকা তারা

প্রমিথ গাঙ্গুলী – এক বহুমুখী প্রতিভার স্ফূরণ

নাম তাঁর প্রমিথ গাঙ্গুলী। নাহ, আপনার বাড়ির চারপাশে, পাড়া, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে মোবাইল রিচার্জের দোকান কোথাও হয়তো এই নাম শোনেন নি। ইনি কোনও সেলিব্রিটিও নন। কিন্তু একটা কথা বলুন তো? আজ যারা আপনাদের কাছে খুব পরিচিত মুখ তারাও তো একদিন না একদিন অপরিচিতই ছিলেন। নিজের প্রতিভা, লড়াই, এগিয়ে চলার জেদকে নিয়েই তো আসলে মানুষ এগিয়ে চলে তাঁর লক্ষ্যের দিকে। সেরকমই এক বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এক ডুবোজাহাজের অস্তিত্ব রয়েছে। আজ্ঞে হ্যাঁ, সেই অধমের নামই প্রমিথ গাঙ্গুলী। গান গাওয়া থেকে সঙ্গীত পরিচালনা, অভিনয় থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি তৈরি সবেতেই তাঁর অবাধ বিচরণ। আপনাদের দরবারে তাঁর শিল্পকর্মের কিছু ঝলক একটি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে পৌঁছে দিল ‘EXCLUSIVE অধিরথ’।

প্রশ্নঃ- কীভাবে শুরু আপনার সঙ্গীতের সফর?

উত্তরঃ- আমার তখন মাত্র আড়াই বছর বয়েস। ১৯৯৯ সালের ২১ শে মার্চ আমার মা শ্যামশ্রী গাঙ্গুলীর কাছে আমার হাতেখড়ি হয়। মায়ের কাছে আমি প্রায় সাড়ে ৪ বছর মতো শিখি। তারপর ঋত্বিক ভট্টাচার্যের কাছে বেশ কিছু বছর শিখি। যেহেতু বাবার বদলির চাকুরি ছিল, তাই বারবার গুরু পরিবর্তন হয়। সব মিলিয়ে ১১ জন গুরুর কাছে শিখেছি। এর ফলে নানা ঘরানার সঙ্গীত সম্পর্কে আমার ধারণা হয়।

প্রশ্নঃ- গানকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করার কথা ঠিক কবে থেকে ভাবলেন?

উত্তরঃ- কোনও বাচ্চাই তো জানে না যে সে বড় হয়ে কী হবে? ক্লাস নাইনের আগে পর্যন্ত ততোটা সিরিয়াস একেবারেই ছিলাম না গানের বিষয়ে। কিন্তু ক্লাস নাইনে ওঠার পর অনুভব করলাম এটাই আমার জীবন হতে পারে। রামপুর শশভান ঘরানা ছিল আমার প্রথম ঘরানা। তারপর আমি চলে যাই গোয়ালিয়র বা ইন্দোর ঘরানার দিকে। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর কাছে যাওয়ার পর পাতিয়ালা, বেনারস এই উত্তর ভারতের ঘরানাগুলি চোখের সামনে দেখতে পাই।

প্রশ্নঃ- শাস্ত্রীয় সঙ্গীত কেন বাছলেন?

উত্তরঃ- আমি কোনোদিনই এটা বাছিনি। এটা মানুষ ঠিক করেছে যে প্রমিথ গাঙ্গুলী ক্লাসিক্যাল গেয়ে থাকেন। Actually, Classical is mother of all genres, but I sing everything. আসলে ক্লাসিক্যাল ভালবাসি কারণ ছোট থেকেই তা শিখেছি। এখন আমি যদি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে জানি তাঁর মানে এই নয় যে আমি ওয়ান ডে বা টি-টোয়েন্টি খেলব না।

প্রশ্নঃ- বর্তমানে দেখা যাচ্ছে গানের সঙ্গে আপনি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিও তৈরি করছেন, মিউজিক ভিডিও অ্যালবাম নিজেই তৈরি করছেন। এগুলি সব ইউটিউবের মাধ্যমে মুক্তিও পাচ্ছে। হঠাৎ এই পদক্ষেপ কেন? এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

উত্তরঃ- জীবনের নানান ক্ষেত্রে আমি দেখেছি, আমি যদি কারোর ওপর নির্ভর করে বসে থাকি তাহলে হয় সে বিশ্বাস ভাঙবে। নয়তো সে নিজের গরজ দেখাবে। একটা সময়ের পর ভাবলাম আমি নিজেই যখন ব্যাপারটি বুঝি, তখন আমি নিজেই সেটা করতে পারি। আমার প্রথম শর্ট ফিল্ম ‘তিয়ামো’ এর চিত্রনাট্য অনেককে শোনাই। তাঁরা বেশিরভাগই আমার বয়ঃজ্যেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী। আমার নিজের ক্যামেরা ছিল না বলে আমি অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। কিন্তু আমাকে হতাশ করে তাঁরা সবাই বললেন, তুমি তো ক্লাসিক্যাল গায়ক, তুমি এসব করো না। যেহেতু আমি বিরাট কোহলির ফ্যান, তাই খানিক আগ্রাসী তো বটেই। তাই যেটা বারণ করা হল সেটাই বেশি করে করলাম। কারণ সৃজনশীলতার ক্ষেত্র বাড়ালে তাতে নিজেকেই আরও সমৃদ্ধ করা যায়। আমি ভবিষ্যতে যখন প্লে-ব্যাক গাইবো তখন আমার কোনও অসুবিধা হবে না। আমি তো জানি আমার শর্ট ফিল্মে কীভাবে ডাবিং করতে হবে। কোন পরিস্থিতিতে কী গান দিতে হবে সেটা তো আমি শিখেই গেলাম। ক্যামেরা বা অন্যান্য কারিগরি সহযোগিতা করে কেউ সাহায্য করছিল না। তাই তখন আমি আমার স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবির অনুলিখন করাই। শেষমেশ পাশে থাকা কিছু হাতকে সঙ্গী করে ‘টেরেস মোশন পিকচার্স’ অর্থাৎ আমার নিজের প্রোডাকশন হাউজ তৈরি করে ফেললাম। কাজ করে মানুষের ভালোবাসা পেতে শুরু করলাম। তারপর একে একে ‘তিয়ামো’, ‘তিতির’, ‘মূর্তিমান’, ‘নাটভিলা’ মুক্তি পেল।

প্রশ্নঃ- সামাজিক কোনও ইস্যুর প্রতিফলন কি আপনার কাজে দেখা যায়?

উত্তরঃ- আমার মনে হয় ধর্ষণ বিষয়টি নিয়ে কথা বলা উচিৎ। এই বিষয় নিয়েই আগামী সিনেমা ‘ঠার্কি’ মুক্তি পাচ্ছে। নেট দুনিয়ায় আমরা ছবিটির প্রচারে হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করছি ‘কাট ডালো’। আমরা সিনেমাটি দেখলেই বুঝতে পারবো কী বলতে চাওয়া হয়েছে। কেন আমরা এতো  ‘কাট ডালো’ এই কথাটা বলছি? ধর্ষণের বিরুদ্ধে নানা মোমবাতি মিছিল বা পথসভা হচ্ছে। তাতে কী আদৌ কাজ হচ্ছে? অনেক সমীক্ষা চলছে কিন্তু তাতেও তো কিছু কাজের কাজ হয় নি। আমাদের এই উদ্যোগেও হয় তো কাজ হবে না। কিন্তু এই সমাধানটাও আমি মানুষের কাছে তুলে ধরতে চাই। দেখি তাঁরা কী প্রতিক্রিয়া দেন?

প্রশ্নঃ- কোন কোন শিল্পীর গান, লেখনী এবং জীবনবোধ আপনাকে টানে?

উত্তরঃ- প্রথমেই আমি পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর নাম নেব। উনি আমার দ্রোণাচার্য বলতে পারেন। পোয়েটস অব দি ফল, ব্রুনো মার্শ, রিহানা, শাকিরা এবং অবশ্যই মাইকেল জ্যাকশন এদের গান খুব শুনি। ভারতীয়দের মধ্যে বলতে পারেন এম এম ক্রিম, শঙ্কর এহসান লয়, রাম সম্পথ, সোনু নিগম প্রমুখের নাম। চলচ্চিত্র জগতে জো রুশকে ভালো লাগে। স্পিলবার্গ এবং ক্রিস্টোফার নোলানও রয়েছেন সেই তালিকায়।

প্রশ্নঃ- আপনি একজন সঙ্গীত প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করেন। আপনার কাছে গান শিখতে আসা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোন সদর্থক দিক লক্ষ্য করেন? কী কী বিষয়ের অভাব টের পান তাদের মধ্যে?

উত্তরঃ- শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেওয়াজের এবং ধৈর্যের অভাব রয়েছে। তবে তাঁরা আমাকে শ্রদ্ধা করে। অন্ততঃ আমার কথা মেনে চলার চেষ্টা করে, এটা সদর্থক দিক।

প্রশ্নঃ- দীর্ঘদিনের সফরে কোনও খারাপ অভিজ্ঞতা এবং উপলব্ধির কথা যদি দর্শকদের জানান।

উত্তরঃ- খারাপ অভিজ্ঞতা হল জি ‘সারেগামাপা লিটল চ্যাম্পস’ এর ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রির কাগজটি বুঝতে না পেরে ছিড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিই। বোর্ড পরীক্ষার জন্য জার্মানিতে একটা গানের কনসার্টে গাইতে যেতে পারি নি। খারাপ উপলব্ধিও আমার  রয়েছে। যতো টেকনোলজি বেড়েছে, ততোই গানের বাস্তবতা কমেছে। এখন প্রচুর সফটওয়্যারের ব্যাক-আপ আছে। তাই সঙ্গীত ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং ভ্রাতৃত্ববোধ কমেছে। আমরা প্রায়শই কোনও সঙ্গীত বা বাদ্যযন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিই। কিন্তু স্টেজ থেকে নেমে যাওয়ার পরে আর তাঁকে চিনি না, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখি না। কিন্তু এভাবে ঘ্যাম নিয়ে থাকাকে প্রফেশনালিজম বলে না। তাছাড়া এই প্রযুক্তি নির্ভর যুগে বাথরুম সিঙ্গাররাও কোনও মিউজিক অ্যাপের জোরে গান পোস্ট করছে। ফলে মুছে যাচ্ছে ভালো গানের সংজ্ঞা। যন্ত্রের আধিক্য এইভাবে ভুল প্রতিযোগিতা বাড়াচ্ছে, কমাচ্ছে মানুষের খাটার প্রবণতা।

শিল্পীর গাওয়া একটি গান শুধুমাত্র আপনাদের জন্য

প্রশ্নঃ- রিয়্যালিটি শো-গুলি শিল্পী তৈরি করে, নাকি তারকা তৈরি করে?

উত্তরঃ- দুটোর মধ্যে কোনটাই না। খানিক তারকা হয়তো তৈরি হতে পারে। কারণ এই রিয়্যালিটি শো-গুলি তারকাদের লাইফস্টাইল চিনিয়ে দেয় প্রতিযোগীদের। কিন্তু শিল্পী খুব একটা তৈরি করে এটা আমি অন্ততঃ মনে করি না। বেশি বাণিজ্যিক বলেই সেখানে শিক্ষাটা কম। সেখানে ফেম কিনতে পাওয়া যায়। রিয়্যালিটি শো-তে মূলতঃ কোনও রিয়্যালিটিই নেই। বাকিটা তো আমরা বোকা বাক্সেরই জয়গান গাই।

প্রশ্নঃ- আপনার সঙ্গীত কেরিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট কী ছিল?

উত্তরঃ- ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকালে গলার আওয়াজ পরিবর্তন হয়। আমার গলা ভেঙেছিল তখন আমি ক্লাস টেন। ওই সময় গান গাইতে প্রচণ্ড কষ্ট হতো। কিন্তু আমিও হাল ছাড়িনি। তাই আজ আমি এই জায়গায়, আজ আমার ইন্টারভিউ হচ্ছে (মৃদু হাসি)। ক্রেসেন্ডো, আমার প্রথম গানের অ্যালবাম ছিল আরেকটি টার্নিং পয়েন্ট। ‘স্বরতরঙ্গ’ নামে আমার নিজের একটি ফিউশন ব্যান্ড রয়েছে। সেটি তৈরি করতে পারাটাও আমার কাছে অন্যতম মুহূর্ত। টেলিভিশনে একটি রিয়্যালিটি শো-তেও বিজয়ী হই। বিভিন্ন গণমাধ্যমে গান গাওয়ার সুযোগ হয়। শর্টফিল্মের দিক দিয়েও টার্নিং পয়েন্ট রয়েছে। ‘তিতির’ সান ফ্রান্সিসকো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জায়গা পায়, কিন্তু অর্থের অভাবে তা পাঠানো সম্ভব হয় নি। আর যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বা আমার হাত ধরেনি তাদেরকেও ধন্যবাদ। তাঁরাও আমার এই এগিয়ে যাওয়াকে বেশ খানিক অক্সিজেন জুগিয়েছে।

প্রশ্নঃ- এখনও পর্যন্ত আপনার কাছে উল্লেখযোগ্য কাজ কী কী?

উত্তরঃ- ২০১৭ তে আমি সিসিআরটির জুনিয়র স্কলারশিপ হোল্ডার হই। অবশ্যই প্রথম গানের অ্যালবাম ক্রেসেন্ডো সেই তালিকায় থাকবে। এই অ্যালবামে প্রিয়ংবদা ব্যানার্জী আমার সঙ্গে কাজ করেছেন। গাজিয়াবাদ থেকে আসাম, পুনে থেকে কলকাতা অনেক জায়গায় স্থানীয় তারকাদের সঙ্গে শাস্ত্রীয় গান গাওয়ার সুযোগ পাই। আমার শৈশবের অনেকটাই কেটেছে ছত্তিশগড়ে। সেই রাজ্যের রাজ্যপাল আমাকে সঙ্গীতের ক্ষেত্রে জাতীয় স্তরে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য পুরস্কৃত করেন। মার্গীয় সঙ্গীতের সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় সারা দেশের মধ্যে ছত্তিশগড়কে দ্বিতীয় স্থান এনে দিই। এরপর ২৬ হাজার সঙ্গীতশিল্পীর মধ্যে আমাকে ইয়াহাভি ডট কম প্রথম স্থান দেয়।

প্রশ্নঃ- আপনার মতে, মানুষ এখন কী ধরণের বিষয়বস্তু পছন্দ করছে?

উত্তরঃ- এখন দেখা যাচ্ছে সবথেকে খারাপ জিনিসটিই বেশি ভাইরাল। উল্টোদিকে ভালোর কোনও মাপকাঠি নেই। আমরা দশ বছর আগেও বলতাম, উনি ভালো গান, ওনার ক্লাসটাই আলাদা। এখন ক্লাস বলতে অটো-টিউন হয়ে গিয়েছে। আমরা ক্রিয়েটিভ কিছু করলে যতো তাড়াতাড়ি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারি। সেটা কভার সং বানালে অনেক দ্রুত পৌঁছে যায়। এটা ঠিক নয়।

প্রশ্নঃ- সামনে কোন কাজগুলি মুক্তির অপেক্ষায় প্রহর গুনছে?

উত্তরঃ- আমার ছাত্রদের নিয়ে তৈরি অ্যালবাম ‘কাফিলা’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তারপর ‘ঠার্কি’, যেটি আমার প্রথম হিন্দি শর্টফিল্ম, সেটি মুক্তি পাচ্ছে। ‘তিয়ামো ২’ এবং ‘নাটভিলা ২’ এবং ‘রক্তিম আর বন্দিশ রহস্য’ মুক্তির অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

প্রশ্নঃ- ইন্ডাস্ট্রিতে নতুনদের জায়গা বর্তমানে কতোটা রয়েছে?

উত্তরঃ- গান বিক্রির দিকে বেশি যাচ্ছে, গুণমানের নিয়ে কেউ খুব একটা ভাবিত নয়। জনপ্রিয়তা নিয়ে বেশি মাথা ঘামাচ্ছে ইন্ডাস্ট্রি। তাঁরা দেখছে, এলেবেলে কাউকে দিয়ে কোনও ক্যাচি গান গাওয়ালে কম খরচ। তাহলে আমি কেন বেশি খরচ করবো? নয়তো বিখ্যাত কোনও শিল্পীদের দিয়েই গাঁটের কড়ি খরচ করে গাওয়াবো। কিন্তু নতুনদের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ করবো না। শীর্ষ পর্যায় থেকেই এই জিনিসটা হচ্ছে।

প্রশ্নঃ- যে সঙ্গীতের সঙ্গে তোমার জীবনের দূরত্বটা শূন্য, সেই সঙ্গীতকে ঘিরে তোমার স্বপ্ন কী?

উত্তরঃ- গায়ক হওয়া তো অবশ্যই প্রাথমিক বিষয়। তবে আমি শুধু গায়ক হতে চাই না। আমি রোল মডেল হতে চাই সেই সব মানুষদের কাছে যারা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে। আমি একজন গুরু, মেন্টর এবং অনেকের পাথফাইন্ডার হতে চাই। আমি প্রার্থনা করি, আমার সঙ্গে যারা যারা যুক্ত, যেন তাদের সাফল্যের কাহিনীর একটি অঙ্গ হতে পারি।

Promotion