EXCLUSIVE NEWS

পঞ্চস্রষ্টা স্মরণ – সংসৃতির পরিচালনায় একটি অনন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিগত ১৬ ও ১৭ জুন শ্রীরামপুর রবীন্দ্রভবনে হয়ে গেল পঞ্চস্রষ্টা স্মরণে এক সাংস্কৃতিক উদযাপন। সংসৃতি আয়োজিত এবং শ্রীরামপুরের প্রথিতযশা লোকসঙ্গীত শিল্পী রাজকুমার রায়ের পরিচালনায় এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হল। পঞ্চস্রষ্টার থিম হিসেবে ছিলেন বাংলার পঞ্চকবি রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্রলাল।

এই কবিদের কালজয়ী সৃষ্টিকে সম্বল করেই রাজকুমার রায়ের ছাত্রছাত্রীরা হাজির হয়েছিলেন মঞ্চে। মোট ১২০ জন ছাত্রছাত্রী গান, নাচ এবং কবিতার ডালি নিয়ে পরিবেশন করলেন তাদের শৈল্পিক সত্ত্বা। সেখানে দর্শকদের উপস্থিতির হার ছিল চোখে পড়ার মতো।

একান্ত আলাপচারিতায় রাজকুমার রায় জানালেন কোন ভাবনার ফসল থেকে এই অনুষ্ঠান করার কথা তাঁর মাথায় এলো। তিনি বলেন, “আমরা সাধারনতঃ অনেক ক্ষেত্রে দেখে থাকি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং নজরুল ইসলামকে নিয়েই বেশিরভাগ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। বিগত বছরগুলোতে আমরাও রবি ঠাকুর ও নজরুলের গান, কবিতা নিয়ে অনুষ্ঠান করেছি।

কিন্তু আমার নিজের শেখার সুবাদে আমি জানতে পেরেছি অতুলপ্রসাদ সেন, রজনীকান্ত সেন বা দ্বিজেন্দ্রলালের রায়ের অসাধারণ কিছু সৃষ্টি রয়েছে। এগুলো অবশ্যই মানুষের কাছে পৌঁছনো উচিৎ। সেই জায়গা থেকেই এই পঞ্চস্রষ্টার ভাবনার জন্ম। আগামী দিনেও আমরা পঞ্চস্রষ্টাতেই থেমে থাকবো এমনটাও কিন্তু নয়। শুধুমাত্র দিলীপ কুমার রায়, আর.ডি.বর্মণ কিংবা সলিল চৌধুরীর গান নিয়েও করতে পারি।নতুন প্রজন্ম তো জানলোই না কী অতুলপ্রসাদ সেন বা কী রজনীকান্ত সেন। সবাই তো জেনে এসেছে, ‘আমি সকল কাজের পাই হে সময়’ শ্যামাসঙ্গীত। এটা যে রজনীকান্ত সেনের গান তা সকলের জানা উচিৎ। এই কম্পোজারদের গান কীভাবে আমাদের বাংলাকে সমৃদ্ধ করে এসেছে এটা কেন অন্ধকারে চাপা পড়ে থাকবে? তাই ভবিষ্যতে ইচ্ছে রয়েছে শুধু পঞ্চকবিই নন, অন্যান্যদের নিয়েও আরও কাজ করা এবং তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

 

Promotion